ভেঙে ফেলতে হবে এমন বাড়ির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বৌবাজারে। যদিও প্রাথমিক ভাবে ১৯টি বাড়ি বিপজ্জনক মনে হয়েছিল। এমনটাই জানাচ্ছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর নির্মাণ সংস্থা কলকাতা মেট্রো রেলওয়ে কর্পোরেশন লিমিটেড (কেএমআরসিএল)।

বৌবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বাড়িগুলির স্বাস্থ্য-সমীক্ষা করতে কেএমআরসিএল-এর তরফে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রাক্তন প্রধান নীতিন সোমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটিকে ভার দেওয়া হয়েছিল। কমিটি দিন দুয়েক আগে কাজ শেষ করেছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও জমা করেনি। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ভেঙে ফেলতে হবে, এমন বাড়ির সংখ্যা নির্ধারণ করবে কেএমআরসিএল। সংস্থা সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে যে বাড়িগুলি বাসের অযোগ্য মনে হয়েছে, সেগুলি ভাঙার প্রক্রিয়া শুরুর পাশাপাশি পুরসভা থেকে বিভিন্ন তথ্যও চেয়ে পাঠিয়েছেন কর্তারা। রবিবার পর্যন্ত দুর্গা পিতুরি লেনের তিনটি বাড়ি ভাঙা শেষ হয়েছে। 

এ দিন সেকরা পাড়া এবং দুর্গা পিতুরি লেনে বিপজ্জনক আরও চারটি বাড়ি থেকে মূল্যবান জিনিস বার করে আনতে বাসিন্দাদের ঢোকার ব্যবস্থা করা হয়। মোট ৬৮টি বাড়ির ৬৮২ জন বাসিন্দাকে শহরের ২১টি হোটেলে রাখা হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট হাতে পেলে বিপজ্জনক নয় এমন বাড়ির বাসিন্দাদের ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ দিন থেকেই বৌবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ব্যবসায়ীদের নথি খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। তাঁদের পোদ্দার কোর্টে কেএমআরসিএল-এর একটি ভবনে ব্যবসা চালাতে সাময়িক পুনর্বাসন দেওয়া হবে।