• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দৃষ্টিহীন ছাত্রের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন পুলিশের

Agitation
প্রতিবন্ধী-বিক্ষোভ: হাওড়ার জিআরপি থানায়। ফাইল চিত্র।

হাওড়া স্টেশন চত্বরে দৃষ্টিহীন ছাত্রের টাকা ও মোবাইল লুঠের ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে পুলিশ। তাদের দাবি, সিসিটিভি-র ফুটেজে দেখা গিয়েছে, স্টেশনের ভিতরে কিছু ঘটেনি। ওই ছাত্রের বক্তব্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলেও তাদের দাবি। তবে জীবন রক্ষিত নামে ওই ছাত্র শনিবার রাতে গোলাবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ বাঁকুড়া থেকে শিরোমণি এক্সপ্রেসে হাওড়া পৌঁছন জীবন রক্ষিত নামে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্র। সেখান থেকে বাসে বিশ্বভারতী যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। অভিযোগ, তিনি বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময়ে স্টেশনের ভিতরেই এক ব্যক্তি জানতে চায়, তিনি কোথায় যাবেন। বাসস্ট্যান্ড যাচ্ছেন শুনে সে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। জীবন বলেন, ‘‘একটা নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে লোকটি মাথায় কিছু দিয়ে মারে। নাকে গন্ধমাখা রুমাল চেপে ধরে। আর কিছু মনে নেই। জ্ঞান ফিরতে দেখি, এক মহিলা সামনে বসে। জানতে পারি, আমার সব খোয়া গিয়েছে। ওই মহিলাই আমায় বাসে তুলে দেন।’’ শনিবার জিআরপি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান জীবন ও তাঁর বন্ধুরা।

ওই ছাত্রের দাবি, তাঁকে এক মহিলা স্টেশনের ভিতর থেকে উদ্ধার করেন। কিন্তু জিআরপি-র দাবি, সিসি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, ওই ছাত্র শিরোমণি এক্সপ্রেস থেকে ১৯ নম্বর প্ল্যাটফর্মে নেমে নিউ কমপ্লেক্সের মাঝখানের গেট দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন।

শনিবারের বিক্ষোভে থাকা শুভঙ্কর মান্না নামে এক দৃষ্টিহীন যুবক জানান, হাওড়া সিটি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার ও লুঠ হওয়া জিনিস উদ্ধারের দাবি জানানো হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে সরব হয়েছে রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীও। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘রেলপুলিশ যে ভাবে কাজ করেছে, তাতে রাজ্যে প্রতিবন্ধীদের প্রতি প্রশাসনের সহমর্মিতার অভাব স্পষ্ট। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে। রেলকর্তাদের অনুরোধ, প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে কর্মীদের সচেতন করুন।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন