• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

মহিলাকে গলার নলি কেটে খুন  

Killed
প্রতীকী ছবি

ঘাস কাটতে গিয়ে খুন হলেন এক মহিলা। রবিবার রাত ৮টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে হাবড়ার নাংলাবিল এলাকায়।

নিহতের ছেলের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। মহিলার আত্মীয়-স্বজনদের অনুমান, খুনের আগে শারীরিক অত্যাচার করা হয়ে থাকতে পারে। তাঁর শাড়ি অগোছালো ছিল। 

পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘মহিলার দেহ বারাসত জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জানা যাবে, খুন করার আগে শারীরিক অত্যাচার করা হয়েছিল কিনা।’’ 

 পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলার স্বামী কর্মসূত্রে কেরলে থাকেন। মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাড়িতে ছেলের সঙ্গে থাকতেন তিনি। গরুর জন্য তিনি প্রায় রোজই নাংলাবিলে ঘাস কাটতে যেতেন। ঘাস নিয়ে সন্ধ্যার আগেই বাড়ি ফিরতেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বেলা ১টা নাগাদ তিনি নাংলাবিলে ঘাস কাটতে যান। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় ছেলে খুঁজতে বেরোন। ছেলে বলেন, ‘‘মাঠে গরু ছিল। গরু গোয়ালে রেখে টর্চ নিয়ে মাকে নাংলাবিলে খুঁজতে যাই। কিন্তু খুঁজে পাইনি। এরপরেই আত্মীয়দের খবর দিই। সকলে মিলে ফের খোঁজাখুঁজি করতেই বিলের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় মাকে দেখতে পাই।’’ 

হাবড়া থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে মহিলার দেহ উদ্ধার করে হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।           

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মহিলার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। ছেলে বলেন, ‘‘আমাদের সঙ্গে কারও কোনও শক্রতা নেই। কারা মাকে খুন করল জানি না। তবে যারা এই কাজ করেছে, তাদের কঠোর শাস্তি চাই।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন