ভোটের পরেও পরপর সভা তৃণমূলের
তৃণমূলের পাল্টা, মানুষের সমস্যার কথা শুনতে, সারা বছর সঙ্গে থাকার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ। 
address

সমুদ্রগড়ে সভায় মন্ত্রী। নিজস্ব চিত্র

ভোট-পরীক্ষা মিটেছে। এখন ফলের অপেক্ষা। তার মাঝেই নিজের বিধানসভা এলাকার প্রতিটি পঞ্চায়েতে সভা করতে শুরু করলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বিরোধীদের দাবি, তৃণমূল বুঝে গিয়েছে ওদের অবস্থা ভাল নয়। তাই চাপ কাটাতে এই পন্থা নেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের পাল্টা, মানুষের সমস্যার কথা শুনতে, সারা বছর সঙ্গে থাকার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ। 

সোমবার পূর্বস্থলী ১ ব্লকের দক্ষিণ শ্রীরামপুর এলাকায় বিদ্যানগরে সভা করেন স্বপনবাবু। বিজেপি আক্রমণ করে তাঁর অভিযোগ, ‘‘রাজ্য জুড়ে হিংসাত্বক ঘটনা এবং ধর্মের নামে বিভাজন চালিয়ে যাচ্ছে একটি দল। এদের থেকে সতর্ক থাকুন।’’ কন্যাশ্রী, যুবশ্রীর মতো সরকারি প্রকল্প কী ভাবে সাধারণ মানুষের কাজে এসেছে তারও ব্যাখ্যা দেন তিনি। মহকুমা হাসপাতালে রক্তের সঙ্কট কাটাতে নেতা-কর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, খণ্ডঘোষ বিধানসভার ভোট মেটার পরেই কর্মীদের আরও বেশি সভা করার কথা জানান মন্ত্রী। মঙ্গলবারও সমুদ্রগড় সভা করেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, পরের সভা হবে নান্দাইয়ে।

কিন্তু ভোটের পরে এমন সিদ্ধান্ত কেন? স্বপনবাবু বলেন, ‘‘মানুষের রায় ভোটের বাক্সে রয়েছে। সেটি যে আমাদের পক্ষে তা নিয়েও কোনও সন্দেহ নেই। তবে আমরা সারা বছর যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে রয়েছি তার বার্তা দিতেই ফের মাঠে নেমেছি।’’ তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা শোনা হচ্ছে সভায়। পূর্বস্থলী ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ মল্লিকেরও বক্তব্য, ‘‘জেলা সভাপতি পথে নেমে অন্যদের পথ দেখাচ্ছেন।’’

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

যদিও বিজেপির অন্যতম জেলা সম্পাদক ধনঞ্জয় হালদারের দাবি, ‘‘এ বার আমাদের দল দুটি আসনেই ভাল জায়গায় রয়েছে। তাতেই চাপ বেড়ে গিয়েছে তৃণমূলে। তবে এ সব করে লাভ হবে না।’’