মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় প্রশাসনের কর্তারা তো বটেই হাজির থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ও বেসরকারি হাসপাতালের মালিকেরাও। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা পরিষদের অঙ্গীকার হলে বেসরকারি হাসপাতালের মালিক, চালকল সংগঠনের কর্তা ও বেসরকারি স্কুলের কর্তৃপক্ষদের নিয়ে জেলা প্রশাসন একটি প্রস্তুতি বৈঠক করেন। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী কী কী জিজ্ঞাসা করতে পারেন তার ধারণা দেওয়া হয়, তেমনি কী কী প্রশ্ন উঠে আসতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা করেন প্রশাসনের কর্তারা।

নিরাপত্তা নিয়েও এ দিন পুলিশ মহলে বৈঠক হয়। ডিএসপি, ইন্সপেক্টর থেকে এসআইদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কুণাল অগ্রবাল। জানা গিয়েছে, গোটা শহর জুড়ে ১২০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়াও কানাইনাটশালে সেচ বাংলো, সংস্কৃত প্রেক্ষাগৃহ ও পুলিশ লাইন মাঠ মিলিয়ে ১০০টি ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা থাকবে। পুলিশ সুপার জানান, শহরের ভিতর ও দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে ১০টি গাড়ি টহল দেবে। পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, “২৮টি প্রকল্পের শিলান্যাস ও ২২টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।”

জানা গিয়েছে, আজ, বুধবার বিকেল ৫টা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী শহরের কানাইনাটশালে সেচ বাংলোতে এসে ওঠার কথা। কাল, বৃহস্পতিবার দুপুর দু’টোয় পুলিশ লাইনের মাঠে প্রকাশ্য সভা করে বিভিন্ন প্রকল্পের ৬০ জন উপভোক্তাদের হাতে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেওয়ার কথা। তারপরে বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে সংস্কৃত প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক সভা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ওই দিন আনুমানিক ৭৬ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। আর শিলান্যাস করবেন প্রায় ৫৫ কোটি টাকার।