বিজেপি নেতার বাড়িতে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে বর্ধমানের নাড়ী বেলবাগান এলাকায় এই ঘটনার পরে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাস্তা অবরোধ শুরু করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। বাস, গাড়ি আটকে পড়ায় দীর্ঘ যানজট হয় বর্ধমান-কালনা রোডে।

বিজেপি নেতা সঞ্জয় দাসের অভিযোগ, রাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়ির সামনে বোমাবাজি  করে। পরপর তিনটি বোমা ছোড়া হয়। তার মধ্যে দু’টি ফাটে। একটি অক্ষত অবস্থায় বাড়ির সামনে পড়েছিল। রাতে বর্ধমান থানার পুলিশ গেলেও বোমা মেলেনি। সকালে কাছেই একটি মাঠ থেকে বোমাটি মেলে। পুলিশ গিয়ে সেটি উদ্ধার করে।

সঞ্জয়বাবু অভিযোগ করেন, ভোটের পর থেকেই তাঁর বাড়িতে বারবার আক্রমণ হচ্ছে। সোমবার রাত ১টা নাগাদ বাড়ির দরজায় ধাক্কাধাক্কি ও গালিগালাজ করা হয়। এর পরেই বোমা ছোড়া হয়। এর সঙ্গে তৃণমূল জড়িত বলে অভিযোগ তাঁর।   

ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে বর্ধমান-কালনা রোডের নাড়ী মোড় অবরোধ করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। রাস্তার মাঝে টায়ার জ্বেলে তাঁরা বিক্ষোভ দেখান। অবরোধের জেরে তীব্র যানজট হয় কালনা রোডে। যাত্রিবাহী বাস-সহ বিভিন্ন যানবাহন আটকে পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। ঘণ্টা দেড়েক পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে।

পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি স্বপন দেবনাথের অবশ্য পাল্টা দাবি, ‘‘তৃণমূল সন্ত্রাসের রাজনীতি করে না। মিথ্যা অভিযোগ করছে বিজেপি। লোকসভা ভোটে কয়েকটি আসন পেয়ে ওরা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস তৈরি করতে চাইছে।”