গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে পশ্চিম বর্ধমানের নানা প্রান্তে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রানিগঞ্জের তারবাংলা মোড়ে রাজপাড়া সর্বজনীন পুজো এ বার ১১ বছরে পা দিল। পুজো উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ভজন ও কীর্তনের আসর বসে। আজ, শনিবার রয়েছে পংক্তি ভোজ। রানিগঞ্জ জ্ঞানভারতী বিদ্যালয়, মাড়োয়ারি সনাতন ও বাসন্তীদেবী বালিকা বিদ্যালয়ে পুজো উপলক্ষে সঙ্গীত পরিবেশন করে পড়ুয়ারা। জ্ঞানভারতী স্কুলের কর্তৃপক্ষ জানান, এ দিন পড়ুয়ারা বাড়ি খেকে পুরনো পোশাক এনে জমা দিয়েছেন। সেগুলি বন্যা কবলিত এলাকার মানুষদের দেওয়ার জন্য আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

উখড়ার শুকোপাড়ায় জীবন সঙ্ঘ পরিচালিত পুজো শুরু হয়েছে ২০১৩ সালে। উখড়ার মহন্তস্থল সাংস্কৃতিক সমাজ ক্লাবের পুজো ছ’বছরে পড়ল। দু’টি পুজো মণ্ডপেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার জামুড়িয়ার নিঘা কোলিয়ারি নীচু সেন্টারে বিবেকানন্দ ক্লাবের পুজোর উদ্বোধন করেন আসাসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি।

চিত্তরঞ্জনের পঞ্চমপল্লির কলিঙ্গ অ্যাসোসিয়েশনের পুজো এ বার ৫৭ বছরে পড়ল। পুজো উপলক্ষে ছ’দিনের মেলা বসেছে। শনি ও রবিবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এলাকার শিল্পীরা যোগ দেবেন। সালানপুর আমডাঙা মোড়ে এ বারই প্রথম গণেশ পুজো শুরু হয়েছে। রয়েছে পংক্তি ভোজও। চার দিন ধরে চলবে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সালানপুরের পশ্চিমরাঙামাটিয়া ৪৯ ও ডাবর মোড় এলাকার পুজো ৩৭ বছর অতিক্রান্ত হল। দু’টি মণ্ডপেই আজ, শনিবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। রানিগঞ্জের রানিসায়র মোড়ে গণেশ পুজোর সঙ্গেই দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজো হয়েছে। শুক্রবার এর উদ্বোধন করেন পশ্চিম বর্ধমান জেলাপরিষদ সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাউরি।