দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়েই নির্দল প্রার্থী হয়েছিলেন খড়্গপুরের পুরনো বিজেপি নেতা প্রদীপ পট্টনায়েক। সেই বিদ্রোহের শাস্তি স্বরূপ তাঁকে বহিষ্কার করল দল। বৃহস্পতিবার প্রদীপকে চিঠি পাঠিয়ে বিজেপি-র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শৃঙ্খলাভঙ্গ করে দলের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্যই রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত। 

প্রদীপ অবশ্য বলছেন, ‘‘আমাকে কিছু জানানো হয়নি। তবে যদি বহিষ্কার করে থাকে তবে স্বাগত জানাই। কারণ এটাই দলের নিয়ম। আমি মনেপ্রাণে বিজেপি কর্মী থাকব। আর ২৮ নভেম্বর দল বুঝে যাবে যে প্রার্থী নির্বাচন ভুল ছিল।’’ তৃণমূলের প্রচারসভায় এ দিন শুভেন্দু অধিকারীও বলেন, ‘‘আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রেমচাঁদ ঝা-র সঙ্গে নয়। প্রকৃত বিজেপি প্রার্থী প্রদীপ পট্টনায়েকের সঙ্গে লড়াই হবে।’’

তৃণমূল-বিজেপির ঘর ভাঙানোর খেলাও চলছে। দু’দিন আগেই বিজেপি ভাঙাতে বলেছিলেন তৃণমূলের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। তারই মধ্যে ঘর ওয়াপসি শুরু হয়েছে পদ্ম শিবিরে। বুধবার সন্ধ্যায় কৌশল্যায় বিজেপি প্রার্থী প্রেমচাঁদ ঝা-র সঙ্গে মঞ্চে দেখা যায় দলছুট স্থানীয় কাউন্সিলর বেলারানি অধিকারীকে। এ দিন দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট করেন, “বেলারানি অধিকারী ৭০০কর্মী নিয়ে দলে ফিরেছেন।” এ দিনই শুভেন্দু অধিকারীর সভায় আবার স্থানীয় বিজেপি নেতা বি মুরলিধর রাও-সহ কয়েকজন তৃণমূলে যোগ দেন। আর শুভেন্দুর দাবি, “বেলারানি অধিকারী তৃণমূলে কোনও দিন ছিলেন না। কিছু ব্যক্তিগত স্বার্থে ২০১৫সালে তৃণমূলের বোর্ডকে সমর্থন করেছিলেন।”