সম্প্রতি কোলাঘাটে নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছিল সে। তার পর হলদিয়ায় চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ বার খেজুরির  দেউলপোতা গ্রামে এক মানসিক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল।

অভিযোগ, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে বাড় দেউলপোতা গ্রামে মানসিক প্রতিবন্ধী  ওই তরুণীকে বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণ করা হয়। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, বাড়ির অদূরে একটি ছোট্ট চা -পানের দোকান রয়েছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর নির্যাতিতার বাবা ও মা দোকান সামলাচ্ছিলেন। বাড়িতে একাই ছিলেন তাঁদের মেয়ে। প্রতিবেশী এক যুবক সেই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে ওই যুবতীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার ছোট বোন ওই ঘটনা দেখে ফেললে তাকে অভিযুক্ত প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভয়ে নির্যাতিতার বোন কাউকে কিছু জানায়নি। সেই সুযোগে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।

নির্যাতিতার মায়ের দাবি, রাতে বাড়িতে ফেরার পর ছোট মেয়ে তাঁকে সমস্ত ঘটনা জানায়। পর দিন তিনি অভিযুক্তের বাড়িতে যান। সেখানে গ্রামে সালিশি বসিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব দেয় অভিযুক্তের পরিবার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার বিকেলে ওই সালিশি সভায় অভিযুক্ত যুবক কিংবা তার পরিবারের কেউ হাজিয় হয়নি। এরপরই শনিবার শেখ তাজামুল নামে প্রতিবেশী ওই যুবকের বিরুদ্ধে খেজুরি থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে ধর্ষিতার পরিবার। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। রবিবার শেখ তাজামুলকে আটক করে জেলা করে পুলিশ। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।