• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

আচরণ বিধি মেনে উধাও হচ্ছে হোর্ডিং

Poster
খোলা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী ছবি দেওয়া হোর্ডিং।

Advertisement

রবিবার বিকেলেই লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। ওই ঘোষণার পরেই নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি কার্যকর হওয়ার কথা। ওই আচরণ বিধি অনুযায়ী সরকারি বিভিন্ন দফতর-সহ, রাস্তাঘাট, পার্ক কোথাও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ছবি বা প্রচারমূলক ব্যানার, হোর্ডিং বা পতাকা লাগানো থাকবে না। থাকলেও তা অবিলম্বে খুলে নিতে হবে।

ভোটের দিন ঘোষণা হতে না হতেই ওই বিধি পালন শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন সহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের অফিস চত্বর ও সরকারি জায়গায় থাকা প্রচারমূলক হোর্ডিং, ব্যানার সরিয়ে নিতে শুরু করেছে প্রশাসন। তবে সোমবারও বিভিন্ন সরকারি দফতরে, ভবনের দেওয়ালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের প্রচারমূলক একাধিক ব্যানার ও হোর্ডিং নজরে পড়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গা থেকে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর ছবি-সহ হোর্ডিং, ব্যানার সরানোর ছবিও দেওয়া গিয়েছে। তবে তমলুক পুরসভার দেওয়ালে এ দিন জ্বলজ্বল করেছে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া সরকারি প্রকল্পের বিজ্ঞাপন। নির্বাচনী আচরণ বিধি লাগু হলেও কেন তা খোলা হয়নি প্রশ্ন করা হলে তমলুকের পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ সেন বলেন, ‘‘এখনও তেমন নির্দেশ আমাদের কাছে আসেনি। এলেই ওই ব্যানার খুলে ফেলা হবে।’’

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে জেলাশাসক পার্থ ঘোষ বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে আদর্শ আচরণ বিধি চালু হয়েছে। নিয়ম মেনে সরকারি অফিস ও জায়গা থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ছবি বা প্রচারমূলক বিভিন্ন ব্যানার, পোস্টার সরানোর জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা নির্বাচন  দফতরের তরফে টিম তৈরি করে ওই সব প্রচারমূলক সামগ্রী সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে।’’

জেলা প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ ভোট ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় গতকাল কর্মী জোগাড় করে ওই সব ব্যানার-হোর্ডিং সরানো যায়নি। সোমবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি অফিস ও জায়গা থেকে এরকম ব্যানার-হোর্ডিং খোলা শুরু হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে এই অভিযান চলবে। 

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন