বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বা চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অনেক পোস্টার পড়েছে। মঙ্গলবার খেলাধূলার পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ক্লাবগুলিকে সরকারি অর্থ সাহায্য দেওয়ার বিনিময়ে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলে পোস্টার পড়ল  চণ্ডীপুরের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে।

চণ্ডীপুর ব্লকের হাঁসচড়া বাজারে এ দিন এ রকম বেশ কিছু পোষ্টার স্থানীয়দের  নজরে আসার পরে এলাকায় শোরগোল পড়ে। সাদা কাগজে টাইপ করা পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার কাটমানি কেলেঙ্কারি। বিষয়-কাটমানি ফেরতের আর্জি। বিধানসভা ক্ষেত্র-২১১ চণ্ডীপুর। মাননীয় চণ্ডীপুর বিধানসভার এমএলএ  মহাশয়ের নিবাস সনির্বন্ধ আবেদন, চণ্ডীপুর ব্লকের যে স্বষোষিত এবং অঘোষিত ১২০টি  ক্লাব রহিয়াছে,  ক্লাবগুলি রক্ষণাবেক্ষণের খাতে মাননীয় পঃ বঃ সরকারের অর্থ বরাদ্দের দুইটি কিস্তিতে ২ লক্ষ টাকা করে দু’বার পেয়েছে। কিন্তু আপনি নিজে প্রতি কিস্তিতে ৫০ হাজার টাকা করে কাটমানি নিয়েছেন। অর্থাৎ দুইটি কিস্তিতে ১ লক্ষ টাকা করে প্রতি ক্লাব থেকে কাটমানি নিয়েছেন। আপনি যত শীঘ্রই ক্লাব কর্তৃপক্ষকে ১ লক্ষ টাকা করে নিজ তহবিল থেকে ফেরত দেবেন। অন্যথায় আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হব’।

খোদ এলাকার বিধায়কের বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগ তুলে তা ফেরত দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়ে ওই পোষ্টার কারা দিয়েছে তার উল্লেখ না থাকায় ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।  তাঁর বিরুদ্ধে ওই পোষ্টার নিয়ে চণ্ডীপুরের তৃণমূল বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘এরকম পোস্টারের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কারা এ সব ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে জানি না । তাই এটাকে কোনও গুরুত্ব দিচ্ছি না।’’