ভাঙন ধরিয়ে শাসক দলের বিড়ম্বনা বাড়ালেন রেজিনগরের নির্দল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। বার বার দরবার করেও বহিষ্কারের পর তৃণমূল তাঁকে দলে ফেরায়নি। তাই এ বার তিনি রেজিনগর কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়ছেন। তিনি বরাবরই দাবি করে আসছেন,  তৃণমূলের স্থানীয় স্তরের নেতা-কর্মীরা তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। মাস ছ’য়েক ধরে একক ক্ষমতায় তিনি রেজিনগর এলাকায় একাধিক সভাও করেছেন। সেই সভাতে দেখা গিয়েছে শাসক দলের লোকজনকে।

তবে রবিবার সন্ধ্যায় ভোটে সরাসরি হুমায়ুনের পাশে দাঁড়াতে চেয়ে দলের পদ ছাড়লেন  কাপাসডাঙা অঞ্চলের তৃণমূলের সভাপতি আবুল কাশেম। ওই দিন তিনি দলীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি জানান, হুমায়ুনকে না ফেরানো তৃণমূলের সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। তৃণমূল হুমায়ুনকে টিকিট দিলে তিনি জিততেন। দলের ‘ভুল’ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি পদত্যাগ করলেন।

সোমবার আবুল কাশেম সোমবার বলেন, ‘‘আমি তৃণমূলে এসেছিলাম হুমায়ুন কবীরের হাত ধরে। শত অনুরোধেও দল তাঁকে ফেরাল না। ১০ হাজার লোক সভা করে হুমায়ুনকে দলে ফেরানোর দাবি তোলেন। কিন্তু দল সেই দাবিতে কান দেয়নি। ফলে দল ছেড়ে হুমায়ুনের হাত ধরলাম।’’

নির্দল হিসেবে দাঁড়িয়ে রোজই প্রচারে বার হচ্ছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, বেশ ভালই সাড়া মিলছে। হুমায়ুন শিবিরের দাবি, তাঁরাই আসলে তৃণমূলের লোক। হুমায়ুন জানান, শুধু কাপাসডাঙা নয় রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ৯৫ শতাংশ তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। ১৪টি অঞ্চলের তৃণমূল নেতারা তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। তৃণমূলের টিকিটে জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যরাও তলে তলে তাঁকে সমর্থন করছেন। তাঁর দাবি, ‘‘রবিবার মিছিলে এলাকার ১০ হাজার মানুষ আমার সঙ্গে পা মিলিয়েছে। ভাগীরথীর পূর্ব দিকের ৬টি অঞ্চলের মিছিলে এতো মানুষ। ১৪টা অঞ্চলের হলে তা কত মানুষ হবে। তা জেলা তৃণমূল নেত্বত্বকে দেখতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সভাপতি মান্নান হোসেনের প্রতিক্রিয়া, ‘‘নেত্রী টিকিট দিয়েছে সিদ্দিকা বেগমকে। তিনিই রেজিনগরে প্রার্থী এর বেশি কিছু নয়।