জুতোর মাপ দিতে স্বপ্না বিদেশে পারি দিতে পারেন। পুজোতে এদেশে থাকছেন না। জলপাইগুড়ি প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বপ্না এটুকুই বললেন। এদিন জলপাইগুড়ি প্রেস ক্লাব ছাড়াও জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ, পুরসভা, যৌথ ভাবে জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জলপাইগুড়ি স্কুল ক্রীড়ার পক্ষ থেকে স্বপ্নাকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

স্বপ্না পুজোতে থাকছেন না। তিনি জানান, ১১ অক্টোবর জার্মানিতে যেতে পারেন। যদিও সাই সুত্রে জানা যায় যে সেই বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। স্বপ্না কোথায় যাবেন, কোন কোম্পানির জুতো পরবেন তা সাই চূড়ান্ত করবে। স্বপ্নার দুই পায়ে ছয়টা আঙুল। ছয় আঙুল নিয়ে বিশেষ ভাবে তৈরি জুতো পরে তিনি এতদিন অনুশীলন করেছেন। এশিয়াডে যোগ দিয়েছেন। এ বার অলিম্পিকসের প্রস্তুতির জন্য আরও বিশেষ ভাবে প্রস্তুত করা জুতো দরকার। সেই জুতো সরবরাহ করার জন্য এগিয়ে এসেছে  বিশ্বের বেশ কয়েকটি সংস্থা।

সাই সুত্রে জানা যায়, এতদিন স্বপ্না বিদেশী কোম্পানির ট্র্যাডিশনাল জুতো পরে খেলেছেন। কিন্তু অলিম্পিকসের প্রস্তুতির জন্য আরও ভাল মানের জুতো দরকার। বিশ্বের জুতো প্রস্তুতকারক কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে কথা বলে তার পায়ের মাপ নিয়ে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। স্বপ্নার কোচ সুভাষ সরকার বলেন, “স্বপ্নার সাফল্যের পর জুতো তৈরি করে দেওয়ার জন্য বিশ্বের বেশ কয়েকটি কোম্পানি এগিয়ে  এসেছে। সেটাই  একটা ভাল খবর।”

স্বপ্না এদিন পরে এসেছিলেন কালচে ছাই রঙের ফুলপ্যান্ট এবং সাদা শার্ট। তার উপর ছিল ভারতের ব্লেজার। এ দিন পুলিশের পক্ষ থেকে জলপাইগুড়ি পুলিশলাইনে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের এডিজি রণবীর কুমার এবং উত্তরবঙ্গে একগুচ্ছ পুলিশ আধিকারিক। এদিন উত্তরবঙ্গের জেলা পুলিশ দলগুলোর মধ্যে দু’মাস ধরে হতে থাকা ফুটবল খেলার ফাইনাল খেলা ছিল। স্বপ্না সেখানে যান। গ্রুপ ছবি তোলেন এবং বলে শট মেরে ফাইনাল খেলার সূচনা করেন। স্বপ্না বলেন, “আমার বাবা বলতেন তুই ডিএসপি হয়ে যা। কাঁধের ওপর তিনটা তারা থাকবে।”

সেখান থেকে তিনি চলে আসেন জলপাইগুড়ি পুরসভায়। সেখানে সংবর্ধনা নেওয়ার পরে জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকেও একই মঞ্চে সংবর্ধনা জানানো হয়।