আমদানি-রফতানি ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা হোক কলকাতা বন্দর, এমন আর্জি নিয়েই বুধবার শিলিগুড়িতে সিআইআইয়ের উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করল কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। মাল্লাগুড়ির একটি হোটেলে বৈঠক হয়। সেখানে নেপাল ও ভুটানের একাধিক ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

চেয়ারম্যান বিনীত কুমারের নেতৃত্বে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের ১২ জন পদস্থ আধিকারিকের একটি দল বৈঠকে যোগ দেন। বন্দরে গিয়ে ব্যবসায়ীরা কী কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন সেগুলো শোনেন বন্দরের আধিকারিকরা। সিআইআইয়ের পক্ষ থেকে চা আমদানি-রফতানির জন্য কলকাতা বন্দরের কাছাকাছি ‘টি পার্ক’ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিনীত কুমার জানান ইতিমধ্যেই তাঁরা জমি চিহ্নিত করে টি বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এ দিনের বৈঠকে রেল ও শুল্ক দফতরের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

কলকাতা বন্দরের আধিকারিকদের একাংশ জানিয়েছেন নানা কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে কলকাতা বন্দর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের একটা অংশের মধ্যে এমন ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে কলকাতা বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি করলে অতিরিক্ত অর্থ খরচ হবে ও নানা সমস্যার মুখে পড়তে হবে। সেই ধারণা দূর করাই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। 

এ দিনের বৈঠকে সিআইআইয়ের উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কমিটির চেয়ারম্যান আনন্দ আগরওয়াল, প্রাক্তন চেয়ারম্যান নরেশ আগরওয়াল উপস্থিত ছিলেন। এ দিন নরেশ বলেন, ‘‘আমরা সমস্যার কথা জানিয়েছি। ওঁরা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।’’

এই প্রথম তাঁরা সরাসরি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন বলে জানিয়েছেন কলকাতা বন্দরের ভাইস চেয়ারম্যান বালাজি অরুণ কুমার। বিনীত বলেন, ‘‘আমাদের সমস্ত অত্যাধুনিক পরিকাঠামো আছে। অন্য বন্দরের চাইতে অনেক বেশি পরিষেবা দিতেও আমরা সক্ষম। সেগুলোর কথা আজ জানিয়েছি।’’

তিনি আরও জানান, হাওড়া ও পাশকুঁড়াতে তাদের জমি রয়েছে। সেখানে টি পার্ক তৈরির আলোচনা শুরু হয়েছে।