• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

খাবার মজুতে ভিড় বাজারে

শুক্র ও শনিবার, টানা দু’দিন রাজ্য জুড়ে লকডাউনের ঘোষণা করেছিল সরকার। তার জেরে খাদ্যসামগ্রী মজুতে গৌড়বঙ্গের তিন জেনার বাজারে বৃহস্পতিবার জমল ভিড়। অভিযোগ, বেশিরভাগ জায়গাতেই উধাও ছিল স্বাস্থ্যবিধি। কেমন ছিল সেই ছবি, দেখল আনন্দবাজার।

market
সদলবলে: লকডাউনের আগের দিন স্বাস্থ্যবিধি ‘উড়িয়ে’ এমনই ভিড় জমল বাজারে। বালুরঘাটে। নিজস্ব চিত্র

কন্টেনমেন্ট জ়োন বালুরঘাটে বিকেল ৪টে থেকে লকডাউন শুরু। কিন্তু বৃহস্পতিবার ওই সময়ের পরেও বাজারে বাজারে ভিড় কমেনি বলে অভিযোগ। শহরের খাদিমপুরের বাসিন্দা সুমন দাস নিউমার্কেটে এসে বলেন, ‘‘দুপুরে বাজারে এসে শুনলাম শনিবার লকডাউন হচ্ছে না। কিন্তু বাজার তার আগেই করে ফেলেছি।” জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বাজারে এ দিন ছিল একই ছবি।

 

মালদহ

শনিবার নিরামিষ খান ইংরেজবাজারের মুকুন্দ সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে গিয়েছিলেন রথবাড়ি বাজারে। আনাজ কিনতে। তিনি বলেন, "গত সপ্তাহে আমি যে ফুলকপি ৪০ টাকায় কিনেছি, তেমনই ফুলকপি এ দিন ৬০ টাকা দাম চাইছে। বাঁধাকপিও ৬০ টাকা কেজি।" লকডাউনের আগে বাজারে আনাজ থেকে মাছের দামে মধ্যবিত্তের হাত পুড়ে যাওয়ার জোগাড়। মকদুমপুর, রথবাড়ি, ঝলঝলিয়া, ২ নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনি সহ সব বাজারেই আনাজ ও মাছ অনেকটাই চড়া দামে বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ। রথবাড়ির আনাজ ব্যবসায়ী উজ্জ্বল রায় বলেন, "পরপর দুদিনের লকডাউনের খবরে এ দিন পাইকারি বাজারে আনাজের আমদানি কম ছিল। ফলে সেখান থেকেই বেশি দামে আনাজ কিনতে হয়েছে ও লাভ রেখে বিক্রি করতে হয়েছে।"

 

উত্তর দিনাজপুর

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রায়গঞ্জের মোহনবাটী, দেবীনগর, সুভাষগঞ্জ, চণ্ডীতলা, গোশালা, এফসিআই বাজারে ভিড় উপচে পড়ে। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, লকডাউনের আগে এ দিন রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর মহকুমার বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীদের একাংশ আনাজ ও মাছের দাম বাড়িয়ে দেন। 

রায়গঞ্জ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অতনুবন্ধু লাহিড়ীর দাবি, লকডাউনের সুযোগে কালোবাজারি না করার জন্য সংগঠনের তরফে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।

রায়গঞ্জ জেলা পুলিশের দুর্নীতিদমণ শাখার ডিএসপি প্রসাদ প্রধানের বক্তব্য, রায়গঞ্জের বিভিন্ন বাজারে আনাজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে শাখার সদস্যরা অভিযান শুরু চালিয়েছেন।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন