• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ নানুরের গ্রামে, আহত ৭

Patrolling
টহল। নিজস্ব চিত্র

তৃণমূল এবং বিজেপির সংঘর্ষ তেতে উঠল নানুর থানার কুড়গ্রাম। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের ৭ জন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজনৈতিক আক্রোশে তাঁদের দলের এক কর্মীর স্ত্রীর পা ভেঙে দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দাবি, বচসাকে কেন্দ্র করে বিজেপি'র লোকজনই তাদের কর্মীদের বাড়িতে চড়াও হয়।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন দুপুরে কুড়গ্রামের মাঝেরপাড়ার বাসিন্দা তথা বিজেপি'র ব্লক কমিটির সদস্য গোরাচাঁদ মণ্ডলের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বচসা বাধে। তার জেরে তৃণমূল কর্মীরা লাঠি ও রডের আঘাতে গোরাচাঁদবাবুর স্ত্রী কৃষ্ণাদেবীর দুই পা ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ। তাঁকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতাল থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গোরাচাঁদের ছেলে সুদীপ মণ্ডল বলেন, ‘‘আমরা বিজেপি করি। সেই আক্রোশ তৃণমূলের লোকজন আমাকে আর বাবাকে মারতে আসে। মা ওদের বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়। লাঠি দিয়ে বারবার আঘাত করে পা ভেঙে দেয়।’’ তাঁদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাও ছোড়া হয় বলে সুদীপের অভিযোগ।

বিজেপির স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা সম্পাদক বিনয় ঘোষের দাবি, তৃণমূলের ‘ফতোয়া’ অগ্রাহ্য করে ওই গ্রাম থেকে গোরাচাঁদ-সহ বিজেপি-র বেশ কিছু  কর্মী-সমর্থক, মঙ্গলবার কীর্ণাহারে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মিটিংয়ে গিয়েছিলেন। সেই আক্রোশেই তৃণমূলের স্থানীয় দুষ্কৃতীরা তাঁদের হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘‘গোরাচাঁদ প্রতিবাদ করায় তাঁর বাড়িতে চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা।  আমাদের ৪ জন আহত হয়েছেন।’’

ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খান। তাঁর পাল্টা বক্তব্য, ‘‘রাজনৈতিক ভাবে এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপি-র লোকেরা আচমকা আমাদের কর্মীদের বাড়িতে চড়াও হয়৷ তাতে এক মহিলা সহ ৩ জন আহত হন। তাদের বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।’’ অভিযোগের মুখ উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দিতেই বিজেপি ‘নাটক’ করছে বলে তাঁর দাবি।

পুলিশ জানায়, এখনও কোনও পক্ষের তরফেই অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে চার জনকে আটক করা হয়েছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন