ছেলের মৃত্যুর তদন্তে পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ নিয়ে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হলেন বাবা। 

প্রতি সোমবার বাঁকুড়া জেলা সংখ্যালঘু ভবনে গণ-অভিযোগের শুনানি করছেন জেলাশাসক উমাশঙ্কর এস। থাকছেন সমস্ত দফতরের আধিকারিকেরা। ভিডিয়ো কনফারেন্সে থাকছেন বিডিও-রা। এ দিন জেলাশাসকের কাছে সিমলাপালের টিকরপাড়ার বাসিন্দা অপূর্বকুমার বাগ পুলিশের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ জানিয়েছেন। জেলাশাসক পুলিশকে গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে বলেন। পুলিশ অবশ্য তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে

অপূর্ববাবুর দাবি, তাঁর ছেলে রাহুল বাগের (১৭) সঙ্গে এক সহপাঠী তরুণীর প্রেম ছিল। অভিযোগ, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ওই তরুণীর বাবা সিমলাপাল মদনমোহন হাইস্কুলের পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে বেরনোর সময়ে রাহুলকে মারধর ও অপমান করেন। গত ১ মার্চ বিষক্রিয়ায় অসুস্থ রাহুলকে ভর্তি করানো হয় বাঁকুড়া মেডিক্যালে। ১৩ মার্চ মৃত্যু হয় তার। গত ৪ এপ্রিল অপূর্ববাবু তরুণীর বাবার বিরুদ্ধে ছেলেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন।

এ দিন জেলাশাসককে অপূর্ববাবু বলেন, ‘‘পুলিশ আমার ছেলের মৃত্যুর তদন্ত ঠিক ভাবে করছে না। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না।’’ অপূর্ববাবুর তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, অভিযোগ পাওয়ার পরেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্ত হন। ঘটনার তদন্ত চলছে। এই ঘটনার চার্জশিট তৈরি করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, “ঘটনার তদন্ত সঠিক পথেই চলছে। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ঠিক নয়।”