• নিজস্ব সংবাদাদাতা 
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বাঁকুড়ায় আরও চার জন করোনায় আক্রান্ত

Police
খাতড়ার একটি গ্রামে পুলিশের ব্যারিকেড। নিজস্ব চিত্র

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বৃহস্পতিবারের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, বাঁকুড়া জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩। বাঁকুড়া জেলায় নতুন করে চার জন করোনা আক্রান্তের হদিস মিলেছে। যাঁদের মধ্যে তিন জনই বিষ্ণুপুর স্বাস্থ্য-জেলার বাসিন্দা। তবে বাকি আর এক রোগী কোন এলাকার, তা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি জেলা প্রশাসন বা স্বাস্থ্যকর্তারা। বুলেটিনে জানানো হয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে চার জনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলার করোনা আক্রান্ত ১৯ জন।

বিষ্ণুপুর স্বাস্থ্য জেলার মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক জগন্নাথ সরকার জানান, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে দু’জন ইন্দাসের ও এক জন কোতুলপুরের বাসিন্দা। রিপোর্ট মেলার পরে, তিন জনকেই ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জগন্নাথবাবু বলেন, “আক্রান্তেরা সকলেই ভিন্‌ রাজ্য থেকে ফিরেছেন। রিপোর্ট মেলার পরেই তাঁদের ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠিয়ে আক্রান্তদের পরিবারের লোকজনকে ‘হোম কোয়রান্টিন’-এ রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা তাঁদের পরিবারের লোকজনের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এলাকায় যা-যা পদক্ষেপ করার কথা আমরা করছি।” তিনি দাবি করেন, বিষ্ণুপুর স্বাস্থ্য-জেলায় এখনও পর্যন্ত চার জন করোনা আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মিলেছে।

কয়েক বছর আগেই বাঁকুড়া জেলাকে দু’টি স্বাস্থ্য জেলায় (বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর) ভাগ করা হয়। বিষ্ণুপুরে চার জন করোনা আক্রান্ত রোগীর খবর পাওয়া গেলেও, বাকি ১৯ জন আক্রান্ত বাঁকুড়া স্বাস্থ্য-জেলার বাসিন্দা বলেই ওয়াকিবহাল মহলের দাবি। তবে আক্রান্তদের নিয়ে জেলা প্রশাসন ও বাঁকুড়া স্বাস্থ্য-জেলার কর্তারা মুখ খুলতে চাননি। 

বুধবারের প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গিয়েছিল, ছাতনায় নতুন করে ১১ ও শালতোড়ায় এক জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। ছাতনা এলাকায় পুলিশি টহলও বাড়ানো হয় বুধবার। বৃহস্পতিবার খাতড়ার একটি গ্রামে পুলিশ পিকেট বসানোয় জল্পনা দানা বেঁধেছে। 

দিনভর ফোনে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি বাঁকুড়া স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্যবাধিকারিক শ্যামল সোরেনের সঙ্গে। বুধবার শ্যামলবাবু জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না। এ নিয়ে যা বলার জেলাশাসক বলবেন। যদিও বাঁকুড়ার জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ বুধবার জেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। এ দিনও জেলাশাসক এ নিয়ে কিছু বলেননি।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন