• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

এফআইআরে নাম তৃণমূলের বুথ সভাপতির  

Centre
প্রস্তাবিত সেন্টার। নিজস্ব চিত্র

কোয়রান্টিন সেন্টার তৈরি করাকে কেন্দ্র করে পাড়ুই থানার তালিবপুর গ্রামে দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষে শনিবার বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় শেখ শ্যামবাবু নামে এক গ্রামবাসীর। গুলিবিদ্ধ হন আরও এক জন। এই ঘটনায় পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে এক সিভিক ভলান্টিয়ার সহ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে। নিহতের পরিবারের তরফেও রবিবার রাতে পাড়ুই থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। নিহতের স্ত্রী রোজিনা বিবির দায়ের করা অভিযোগে গ্রামেরই ১৪ জনের নাম রয়েছে। 

সোমবার সন্ধ্যার পরে জানা যায়, তালিবপুরের ঘটনার জেরে পাড়ুই থানার ওসি নীলরতন ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে নতুন ওসি হচ্ছেন তরুণ চট্টরাজ। জেলা পুলিশ সূত্রে এমনই খবর। পুলিশ সূত্রের খবর, খুনের এফআইআরে এক নম্বরে নাম রয়েছে তৃণমূলের তালিবপুর বুথ সভাপতি শেখ আব্দুল হাইয়ের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাকি ১৩ জন অভিযুক্তের বেশির ভাগই এলাকায় তৃণমূল সমর্থক বলেই পরিচিত।

সংঘর্ষের ঘটনার পরেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব প্রকাশ্যে এসেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, আব্দুল হাই-এর গোষ্ঠীর সঙ্গে বিবাদ রয়েছে তালিবপুরের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শেখ মোজাম্মেলের অনুগামীদের। শনিবার তালিবপুর গ্রামে প্রশাসনের তরফ কোয়েন্টিন সেন্টার গড়ে তোলার কথা বলা হলে মোজাম্মেল-গোষ্ঠী সহ বেশ কিছু গ্রামবাসী আপত্তি তোলেন। অন্য দিকে, আব্দুল হাই গোষ্ঠী কোয়রান্টিন কেন্দ্র গড়ার পক্ষে সওয়াল করে। সেই নিয়েই দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বাধে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি। যে সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা আব্দুল-শিবিরের বলেও গ্রামবাসীদের দাবি।

পুলিশের দাবি, আব্দুল হাইয়ের গোষ্ঠীর লোকেরা গা-ঢাকা দিয়েছে। তাদের খোঁজ চলছে। আব্দুলের সঙ্গে সোমবারও যোগাযোগ করা যায়নি। সিউড়ি ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তারা সত্যিই দোষী হয়ে থাকলে প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।“ গ্রামে এখনও রয়েছে পুলিশি ক্যাম্প। বিকেলের পরে তালিবপুর গ্রাম জুড়ে ১৪৪ ধারাও জারি করা হয়েছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন