এ বার আদালত চত্বর থেকে এক কর্মীর মোটরবাইক চুরির অভিযোগ উঠল বিষ্ণুপুরে। শহরে পরপর চুরির ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়েছে। বৃহস্পতিবার বিষ্ণুপুর হাসপাতাল চত্বরের  গ্যারাজ থেকে এক স্বাস্থ্যকর্মীর মোটরবাইক চুরি হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটার আগেই, শুক্রবার সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ আদালত চত্বর থেকে আবার মোটরবাইক চুরির অভিযোগওঠে। লিখিত অভিযোগ পেয়ে  বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ শনিবার আদালতের নজরদারি ক্যামেরা খতিয়ে দেখতে যায়। কিন্তু যান্ত্রিক কিছু সমস্যার জন্য সে কাজ করা যায়নি বলে পুলিশের একটি সূত্র দাবি করেছে। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বেঞ্চ ক্লার্ক দেবাশিস মাঝি মোটরবাইক চুরির অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, “অন্য দিনের মতো শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ আদালতের গ্যারাজে মোটরবাইক রেখে তালা দিয়ে অফিসে ঢুকে যাই। সন্ধ্যা ৬টায় বাড়ি যাওয়ার সময়ে গ্যারাজে মোটরবাইক দেখতে না পেয়ে চার দিকে খোঁজাখুঁজি করি। শুক্রবার রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’’ বিষ্ণুপুর আদালতের নতুন ভবনের গ্যারাজে কর্মী, আইনজীবী ও বিচারকদের গাড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নির্দিষ্ট কেউ নেই বলেই জানা গিয়েছে। 

তবে পুলিশের দাবি, পরপর চুরির ঘটনায় শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ড, সরকারি অফিস, প্রধান রাস্তায় পাহারা রয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মৃন্ময়ী মন্দিরের সামনে দেখা গিয়েছে পুলিশকর্মীদের। রাত দেড়টা নাগাদ ঝাপড় মোড়ে দেখা গিয়েছে, বৃষ্টির মধ্যেই মোটরবাইক নিয়ে টহল দিচ্ছেন পুলিশ কর্মীরা। শহরের স্টেশন রোড, কালিমেলা, রসিকগঞ্জ, বোলতলা, গোপালগঞ্জ, ঝাপড়মাঠের মতো কিছু এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, শুক্রবার সেখানে পুলিশি টহল ছিল। পুলিশের দাবি, চোর ধরতে বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। তাড়াতাড়ি চুরির কিনারা করে ফেলার ব্যাপারে তাঁরা আশাবাদী বলেই দাবি করেছেন পুলিশ-কর্তারা।