দর্শনার্থীদের জন্য এ বারে নতুন রূপে তারাপীঠ মন্দির এলাকা সাজানোর দায়িত্ব ভার নিল তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ। পাশাপাশি মন্দির এলাকায় ভোগঘরও নতুন করে করার সিদ্ধান্ত নিল তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ। বুধবার এ ব্যাপারে রামপুরহাট মহকুমা প্রশাসনিক ভবনে তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের কর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গে তারাপীঠ মন্দির কমিটির সদস্যদের দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়। বৈঠকে ছিলেন জেলাশাসক পি মোহন গাঁধী, অতিরিক্ত জেলাশাসক তথা তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের কার্য নির্বাহী আধিকারিক উমাশঙ্কর এস, মন্ত্রী তথা তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায়, রামপুরহাট মহকুমাশাসক সুপ্রিয় দাস-সহ তারাপীঠ মন্দির কমিটির সদস্যরা।

দীর্ঘ আলোচনা শেষে মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আজকের বৈঠকে তারাপীঠ মন্দিরের পুজোর সময় সহ মন্দিরের গেট খোলা, বন্ধ করা, আরতি, ভোগ এই সমস্ত নির্দিষ্ট সময়ে করার জন্য মন্দির কমিটির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি মন্দির চত্ত্বরে থাকা দর্শনার্থীদের জন্য লাইন ঠিক করার জন্য লোহার ব্যারিকেড গুলি করা হবে। সেই সঙ্গে ভোগঘরও ফের নির্মাণ করা হবে।” মন্দির কমিটি এ ব্যাপারে সহমত জানিয়েছেন বলে মন্ত্রী জানান। এছাড়াও  মূল মন্দিরে আসার রাস্তার ধারের দোকানগুলিকে দমকল ঢোকার মতো জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। এ সমস্ত কিছুই তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের মাধ্যমে করা হবে বলে মন্ত্রী জানান। পাশাপাশি তারাপীঠ যাওয়ার জন্য মনসুবা মোড়ে একটি নতুন গেট নির্মাণ করা হবে বলে তিনি জানান।

জেলাশাসক পি মোহন গাঁধি বলেন, ‘‘তারাপীঠ মন্দির চত্ত্বরে পুনর্গঠনের কাজের জন্য পরিবেশ আদালতের নির্দেশে লজ মালিকদের কাছ থেকে ফাইন বাবদ আদায়কৃত অর্থের কিছু টাকা ব্যায় করা হবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন এবং আরবান ডেভলাপমেন্ট দফতর থেকে তারাপীঠের উন্নয়ণের জন্য ব্যয় করা হবে।’’