গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লাভপুরের হাতিয়া গ্রামের একটি ক্লাবঘর থেকে মশলা, সুতুলি সহ বোমা বাঁধার বেশ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করল পুলিশ। সোমবার দুপুরে গ্রামের বাগদিপাড়ার একটি ক্লাবে হানা দেয় পুলিশ। প্রসঙ্গত, ওই গ্রামে প্রায়ই বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। কয়েক দিন আগে স্থানীয় মীরবাঁধ গ্রামে বোমা মেরে এক বিজেপি কর্মীকে খুনের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে লাভপুর থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি নেয় বিজেপি। সেই বিক্ষোভে যোগ দিতে আসাকে কেন্দ্র করে হাতিয়া গ্রামে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগও ওঠে। কয়েক মাস আগে আবার বোমা বিস্ফোরণে উড়ে যায় মল্লারপুরের একটি ক্লাব। 

স্বভাবতই ক্লাবঘরে বোমার বাঁধার সরঞ্জাম উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ওই গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তরুণ চক্রবর্তীর দাবি, ‘‘সন্ত্রাস সৃষ্টি করে এলাকা দখলের জন্য বিজেপি ওই সব বোমা বাঁধার সরঞ্জাম মজুত করেছিল।’’ অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা সহ সভাপতি বিশ্বজিৎ মণ্ডলের পাল্টা দাবি, ‘‘বোমা বন্দুকের রাজনীতি আমরা করি না। পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই সত্যিটা সামনে আসবে।’’ পুলিশ জানায়, ক্লাবের সম্পাদককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এ দিন বোমা উদ্ধার হয়েছে লোকপুরেও। পুলিশ জানিয়েছে, ওই থানার খড়িকাবাদ বাসস্ট্যান্ড মোড় সংলগ্ন বারাবন জঙ্গলে প্লাস্টিকের ড্রামে থাকা ৩০টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে। জঙ্গলে বোমা থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জায়গাটিকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। পরে বিকেলে সিআইডি বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা এসে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করেন।