অমিত শাহের তারাপীঠ সফরের পরের দিনই সেখানে ১ লক্ষ মানুষের মিছিলের কথা ঘোষণা করল তৃণমূল। রবিবার ওই কর্মসূচি নিয়ে তৎপর দলের নেতা-কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার তারাপীঠে পুজো দিতে গিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাঁর সফর ঘিরে উন্মাদনা ছিল। রাস্তার দু’ধারে জমে ভিড়। তবে চিপ্পনির সুরে তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বিবৃতি দেন— রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তারাপীঠে কিছু বলতে পারেননি অমিত শাহ। দলের অন্দরমহলের খবর, গত কালই তারাপীঠে পাল্টা জমায়েতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অনুব্রত। অন্য দিকে, বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতির সফরের দিন তারাপীঠ মন্দিরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য কয়েক ঘণ্টা বন্ধ রাখা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

শুক্রবার সকালে তারাপীঠে রামপুরহাট ২ ব্লক দলীয় কার্যালয়ে এ নিয়ে বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন দলের রামপুরহাট মহকুমা পর্যবেক্ষক তথা জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্য, রামপুরহাট ২ ব্লক সভাপতি সুকুমার মুখোপাধ্যায়, রামপুরহাট ২ ব্লকের ৯টি অঞ্চল সভাপতি, বুথ কমিটির সভাপতিরা। 

তৃণমূল অবশ্য প্রকাশ্যে রবিবারের মিছিলকে বিজেপি নেতার সফরের পাল্টা বলতে রাজি নয়। ত্রিদিববাবু বলেন, ‘‘অমিত শাহ এসে পুজো দিয়েছেন। উন্নয়নও দেখেছেন। তাই তিনি মুখ খুলতে পারেননি।’’ তিনি জানান, রবিবার জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল মিছিলে যোগ দিয়ে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করবেন। মিছিলেন হাঁটবেন জেলার মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলার সব দলীয় বিধায়ক, জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী, অভিজিৎ সিংহ। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তারাপীঠে ঢোকার আগে আটলা মোড় থেকে ফুলিডাঙা মোড় পর্যন্ত মিছিল হবে। দলীয় সূত্রে খবর, ওই মিছিল ও জমায়েতের জন্য দলের কর্মীদের রামপুরহাট ২ ব্লকের প্রতিটি বুথ থেকে বাসে লোক নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রামপুরহাট ২ ব্লক ছাড়াও 

রামপুরহাট ১ ব্লক, রামপুরহাট শহর, ময়ূরেশ্বর ১ ব্লক, নলহাটি ১ ব্লক, নলহাটি শহর থেকে তৃণমূলকর্মীরা মিছিলে যোগ দেবেন।