• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

অভিমান ভাঙিয়ে ফেরাতে উদ্যোগী তৃণমূল 

TMC wants old workers to return and work for party again
প্রতীকী চিত্র

পুরনো কর্মীদের সামনে আনার বার্তা দিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্দেশ পেয়েই তড়িঘড়ি পথে নেমে পড়লেন দলের জেলা নেতৃত্ব। তাঁদের লক্ষ্য— অভিমানে দূরে সরে যাওয়া পুরনো কর্মীদের ফের দলে টেনে আনা।

খাতড়ার মানিক মিত্র দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে কালক্রমে দল থেকে দূরত্ব তৈরি করেছিলেন তিনি। মানিকবাবুকে ফের দলে ফেরাতে তাঁর বাড়ি গিয়েছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি শুভাশিস বটব্যাল। সূত্রের খবর, এ বার ব্লক ধরে ধরে ‘অভিমানে দূরে সরে যাওয়া’ দলের পুরনো কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন জেলা সভাপতি। সেই প্রক্রিয়া শুরুও করেছেন শুভাশিসবাবু।

রবিবার জেলা তৃণমূল ভবনে ডাকা হয়েছিল পাত্রসায়রের দীর্ঘদিনের দলীয় কর্মী গুরুদাস চক্রবর্তী ও সেখ মনিরুলকে। দুই নেতার সাথে একান্তে আলোচনা করেন শুভাশিসবাবু। গুরুদাসবাবু বলেন, “দিদির আদর্শকে সামনে রেখেই বরাবর রাজনীতি করে এসেছি। কিন্তু মাঝে দলের ক্ষমতা কিছু আত্মকেন্দ্রিক নেতাদের হাতে চলে গিয়েছিল। তাই অভিমানে রাজনীতি থেকে সরে যাই।” সেখ মনিরুলের ক্ষোভ, “গত লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত দলের কাজ করেছি। কিন্তু কোনও দিনই যোগ্য মর্যাদা পাইনি।” 

দলের ওই দুই নেতার এ দিন দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন শুভাশিসবাবু। তাঁদের ক্ষোভের কথা শোনেন। তৃণমূল জেলা সভাপতির প্রতিক্রিয়া, “গুরুদাস এবং মনিরুলরা কেবল দলের পুরনো কর্মীই নন, দিদিরও (মুখ্যমন্ত্রীর) খুব কাছের। বাম আমলে সিপিএমের সন্ত্রাসকে উপেক্ষা করে ওঁরা পাত্রসায়রে সংগঠন গড়েছিলেন। তাঁদের আবার দলের কাজে সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিয়েছি।” গুরুদাস এবং মনিরুল বলেন, “দলের পরিবেশ এখন বদলাচ্ছে। আমরা নিশ্চয়ই আবার সক্রিয় হব।” তৃণমূল সূত্রে খবর, জেলার প্রতিটি ব্লকের বসে যাওয়া পুরনো কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তৃণমূলের এই উদ্যোগকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। দলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্রের তীর্যক মন্তব্য, “সামনের সারিতে থাকা নেতার অভাব হয়েছে তৃণমূলে। তাই এখন পুরনো কর্মীদের মনে পড়েছে।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন