Advertisement

নবান্ন অভিযান

পুরনো ভোটার তালিকায় ভোট হোক, ইডি-সিবিআইয়ের দরজায় তালা দিন, তার পরেও বিজেপি জিতছেই: শমীক

বুধবার হুগলির হরিপালে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। সেখানে ট্রাইবুনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি কমিশনের ভরসায় নি‌র্বাচন লড়তে নামেনি।’’

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:১০
শমীক ভট্টাচার্য।

শমীক ভট্টাচার্য। —ফাইল চিত্র।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ট্রাইবুনালে যে ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি হয়েছে, তাঁদের নাম প্রকাশ করছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার তালিকায় ১৩৬ জনের নাম বেরিয়েছে। বিবেচনাধীন ভোটারের তথ্য নিষ্পত্তি তথা সমগ্র এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে যখন তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে, তখন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, তারা এ নিয়ে ভাবিত নন। আত্মবিশ্বাসী শমীকের দাবি, ‘‘পুরনো ভোটার তালিকা দিয়ে ভোট করালেও রাজ্যে বিজেপি জিতবে। তৃণমূল চলে গিয়েছে।’’

বুধবার হুগলির হরিপালে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন শমীক। সেখানে ট্রাইবুনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি কমিশনের ভরসায় নি‌র্বাচন লড়তে নামেনি।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘ইডি-সিবিআইয়ের দরজায় তালা লাগিয়ে দিন। নির্বাচন কমিশনকে বলুন, এই মুহূর্তে পুরনো লিস্টে ভোট করাতে। ওই ৯০ লক্ষ মানুষের নাম যোগ করতে। তার পরেও বিজেপি জিতবে।’’

হরিপালের বিজেপি প্রার্থী মধুমিতা ঘোষের সমর্থনে রোড শো করার সময় তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহানকে ইডি তলব থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির অভিযানের সঙ্গে বিজেপির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন শমীক। পাশাপাশি, ইডি-সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘এ নিয়ে (ইডি-সিবিআই অভিযান) পশ্চিমবঙ্গবাসীর কোনও উৎসাহ আছে? কারও কোনও জিজ্ঞাস্য আছে? নির্বাচন চলছে। ইডি-সিবিআই তাদের কাজ করছে। মানুষ তৃণমূল নামক অভিশাপ থেকে মুক্তি চান। তৃণমূল চলে গিয়েছে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘ইডি, সিবিআইয়ের কোনও কাজে মানুষ সন্তুষ্ট নয়, আমরাও সন্তুষ্ট নই।’’

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Samik Bhattacharya BJP TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy