সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ট্রাইবুনালে যে ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি হয়েছে, তাঁদের নাম প্রকাশ করছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার তালিকায় ১৩৬ জনের নাম বেরিয়েছে। বিবেচনাধীন ভোটারের তথ্য নিষ্পত্তি তথা সমগ্র এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে যখন তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে, তখন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, তারা এ নিয়ে ভাবিত নন। আত্মবিশ্বাসী শমীকের দাবি, ‘‘পুরনো ভোটার তালিকা দিয়ে ভোট করালেও রাজ্যে বিজেপি জিতবে। তৃণমূল চলে গিয়েছে।’’
বুধবার হুগলির হরিপালে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন শমীক। সেখানে ট্রাইবুনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি কমিশনের ভরসায় নির্বাচন লড়তে নামেনি।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘ইডি-সিবিআইয়ের দরজায় তালা লাগিয়ে দিন। নির্বাচন কমিশনকে বলুন, এই মুহূর্তে পুরনো লিস্টে ভোট করাতে। ওই ৯০ লক্ষ মানুষের নাম যোগ করতে। তার পরেও বিজেপি জিতবে।’’
আরও পড়ুন:
হরিপালের বিজেপি প্রার্থী মধুমিতা ঘোষের সমর্থনে রোড শো করার সময় তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহানকে ইডি তলব থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির অভিযানের সঙ্গে বিজেপির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন শমীক। পাশাপাশি, ইডি-সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘এ নিয়ে (ইডি-সিবিআই অভিযান) পশ্চিমবঙ্গবাসীর কোনও উৎসাহ আছে? কারও কোনও জিজ্ঞাস্য আছে? নির্বাচন চলছে। ইডি-সিবিআই তাদের কাজ করছে। মানুষ তৃণমূল নামক অভিশাপ থেকে মুক্তি চান। তৃণমূল চলে গিয়েছে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘ইডি, সিবিআইয়ের কোনও কাজে মানুষ সন্তুষ্ট নয়, আমরাও সন্তুষ্ট নই।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৫:০৮
‘মমতাদিদি সবচেয়ে কঠিন লড়াইগুলোর একটা লড়ছেন’, তৃণমূলনেত্রীকে ফোন করে সমর্থন কেজরীবালের -
১৪:৩১
‘কলকাতা বস্তির শহরই রয়ে গিয়েছে, ওখানে দিদি অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিচ্ছেন’! তোপ শাহের -
১৪:০৪
‘তিনে নামাব’! দলীয় প্রার্থীকে হারাতে কার্যালয়ে বসেই ‘ছক’ তৃণমূল নেতার, ভিডিয়ো দেখে বহিষ্কার করলেন নেতৃত্ব -
১৩:০২
অনুমতি দেওয়া এলাকার বাইরে গিয়ে বিজেপির মিছিল, দাঁতনকাণ্ডে জানাল পুলিশ! হামলায় গ্রেফতার তৃণমূলের ১৩ -
সরাসরি
১২:০১
রাজ্যের পিটিশন গ্রহণযোগ্য কি না, শুধু সেটাই স্থির করব, এই মুহূর্তে আই-প্যাক মামলায় আর কিছু নেই, বলল সুপ্রিম কোর্ট