Advertisement

নবান্ন অভিযান

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভোটের দায়িত্ব বুঝে নিলেন পুলিশ আধিকারিকেরা, কার কোথায় পোস্টিং, বলে দেওয়া হল তা-ও

সোমবার রাজ্য পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি (আইনশৃঙ্খলা)-র তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:২৭

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রথম দফার ভোটে কাজ করা ২৬ জন পুলিশ আধিকারিককে দ্বিতীয় দফার ভোটেও কাজে লাগানো হচ্ছে। ওই পুলিশ আধিকারিকদের কখন, কোথায় দায়িত্ব নিতে হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হল। সোমবার রাজ্য পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি (আইনশৃঙ্খলা)-র তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে।

এই পুলিশ আধিকারিকদের কোথায় দায়িত্বভার গ্রহণ করতে হবে, ওই বিজ্ঞপ্তিতে তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদের লালবাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিদ্ধার দোরজি, ডালখোলার এসডিপিও রবিরাজ অবস্তী, ঘাটালের এসডিপিও গায়কোয়াড় নীলেশ শ্রীকান্ত এবং নকশালবাড়ির এসডিপিও সৌম্যজিৎ রায়কে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে গিয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামির আহমেদ, পুরুলিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জর্জ অ্যালেন জন এবং রাজ্যের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের সহকারী পুলিশ সুপার আকাশদীপ গহলৌতকে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে পাঠানো হচ্ছে বর্তমানে সিআইডি-তে কর্মরত জে মার্সি এবং ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চে কর্মরত খন্ডবহলে উমেশ গণপতকে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটে পাঠানো হচ্ছে আইপিএস আধিকারিক প্রবীণ প্রকাশকে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
ECI West Bengal Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy