ভোটের সময় আন্তঃরাজ্য সীমানাগুলিতে নজরদারি বৃদ্ধির উপর জোর দিতে হবে! পাঁচ ভোটমুখী রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে এমনই নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। মঙ্গলবারের এই বৈঠকে শুধু ভোটমুখী রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি ছিলেন সেই সব রাজ্যের প্রতিবেশী রাজ্যগুলিও। মূলত, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসম, পদুচেরি এবং কেরলের সঙ্গে যে সব রাজ্য সীমানা ভাগ করে, সেই সব রাজ্যের প্রশাসনের আধিকারিকেরাও ছিলেন বৈঠকে। এ ছাড়াও, বিএসএফ, ইডি, সিআরপিএফ, সিবিডিটি, এনসিবির মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির আধিকারিকারিকেরা।
কমিশন বার বার জানাচ্ছে, হিংসামুক্ত, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়। তার জন্য নানা পদক্ষেপও করেছে তারা। ভোটমুখী রাজ্যগুলির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বার বার প্রশাসন এবং পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করেছে। দিকে দিকে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুধু রাজ্যের মধ্যে নয়, আন্তঃরাজ্য সীমানাগুলিতেও নজরদারিতে জোর দিয়েছে কমিশন।
ভোটমুখী রাজ্যে যাতে বেআইনি নগদ, অস্ত্র ঢুকতে না-পারে সে দিকে নজর রাখা হয়েছে। মঙ্গলবারের বৈঠকে আলোচনায় উঠে এসেছে সেই বিষয়গুলিই। ভোটের সময় ভিন্রাজ্য থেকে মদ, নগদ, অস্ত্র ঢোকার অভিযোগ ওঠে বরাবরই। ইতিমধ্যেই নজরদারি চালিয়ে টাকা উদ্ধারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। মঙ্গলবার দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আন্তঃরাজ্য চেকপোস্টে নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।
আরও পড়ুন:
ভোটমুখী রাজ্যগুলিকে যেমন নজরদারি বৃদ্ধির কথা বলেছে কমিশন, তেমন প্রতিবেশী রাজ্যগুলির ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি এ-ও বলা হয়েছে, নির্বাচনের সময় যেন সংশ্লিষ্ট ওই রাজ্যগুলি তাদের সীমানা বন্ধ করে রাখে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত