দ্বাদশ ভোটার তালিকা প্রকাশ করে দিল নির্বাচন কমিশন। রবিবার রাতে তারা এই অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। গত কয়েক দিন ধরেই ধারাবাহিক ভাবে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে যাচ্ছে কমিশন। এই নিয়ে ১১টি অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হল।
রবিবার বিকেল পর্যন্ত রাজ্যে বিবেচনাধীনদের মধ্যে প্রায় ৫৮ লক্ষ ৬ হাজারের তথ্যের নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে কত জনের নাম ভোটার তালিকার সঙ্গে জুড়়েছে, কত জনের নাম বাদ গিয়েছে, তা এখনও আলাদা ভাবে জানায়নি কমিশন। শনিবার পর্যন্ত প্রায় ৫৭ লক্ষ বিবেচনাধীনের তথ্যের নিষ্পত্তি হয়েছিল। এ বার আরও প্রায় এক লক্ষের তথ্যের নিষ্পত্তি হল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রথম অংশ প্রকাশ করেছিল কমিশন। তখন বিবেচনাধীন ভোটার ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। কমিশন সূত্রে খবর, বিবেচনাধীনদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ প্রায় শেষের দিকে। বিবেচনাধীনদের তথ্য সোমবারের মধ্যেই নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ার কথা।
আরও পড়ুন:
কমিশন আগেই জানিয়েছিল, কত জনের নাম বিবেচনাধীন থেকে ভোটার তালিকায় জুড়ল বা কত জনের বাদ গেল, তা প্রথম দফার মনোনয়নের শেষ দিনে জানানো হবে। ফলে ৬০ লক্ষের মধ্যে কত জনের নাম ভোটার তালিকায় জুড়েছে, কত জনের বাদ গিয়েছে, তা স্পষ্ট হতে পারে সোমবারই।
এখনও পর্যন্ত বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা কত জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। নাম বাদ পড়লে অনলাইন এবং অফলাইন— দুই মাধ্যমেই পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যাবে। অনলাইনে কমিশনের ওয়েবসাইটে (voter.eci.gov.in) গিয়ে ‘সাবমিট অ্যাপিল্স ফর ইন্ডিভিজ়ুয়াল্স’ নামের ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। সেখানে আবেদন জানাতে পারবেন ভোটারেরা। তবে যাঁরা বিবেচনাধীন তালিকায় ছিলেন তাঁরাই কেবল আবেদন করতে পারবেন। আর অফলাইনে আবেদন জানাতে হবে জেলাশাসক কিংবা মহকুমাশাসকের দফতরে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ভোটারের ওই আবেদন অনলাইনে তুলে দেবেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত