প্রথম দফায় এগিয়ে মহিলা ভোটারেরা

কমিশনের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ভোট হওয়া ১৬টি জেলার মধ্যে ১৪টি জেলাতেই ভোটদানের হার ৯০ শতাংশের বেশি। কালিম্পং ও দার্জিলিঙে যথাক্রমে ৮৩.০৪% এবং ৮৮.৯৮%।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:২৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

প্রথম দফার ভোটের চূড়ান্ত হার প্রকাশ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার ওই দফার ভোটের পরে স্ক্রুটিনি শেষ করে শনিবার কমিশন জানিয়েছে, ওই দফায় ১৫২টি আসনে ভোটদানের চূড়ান্ত হার ৯৩.১৯%। সংখ্যার নিরিখে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা বেশি হলেও, শতাংশের নিরিখে মহিলাদের মধ্যে ভোটদানের হার তুলনায় বেশি। অন্যদিকে, প্রথম দফার পরে ভোটযন্ত্র নিয়ে ওঠা নানা অভিযোগ খারিজ করেছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, প্রতিটি ভোটযন্ত্রের বাক্স জিপিএস-সংযুক্ত। সেগুলির সংরক্ষণের সুরক্ষাও সর্বোচ্চ। তা বেহাত বা গরমিল হওয়া অসম্ভব।

কমিশনের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ওই দফায় ভোট হওয়া ১৬টি জেলার মধ্যে ১৪টি জেলাতেই ভোটদানের হার ৯০ শতাংশের বেশি। কালিম্পং ও দার্জিলিঙে যথাক্রমে ৮৩.০৪% এবং ৮৮.৯৮%। বাকি জেলাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে কোচবিহারে। মোট ভোটারের মধ্যে প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন ১ কোটি ৭০ লক্ষ ৮১ হাজার ৮৪৯ জন পুরুষ (মোট পুরুষ ভোটারের ৯২.৩৩%) এবং মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৬৫ লক্ষ ৪০ হাজার ৬৫ জন (মোট মহিলা ভোটারের ৯৪.০৯%)।

প্রথম দফার ভোটের পরে ভোটযন্ত্র সংরক্ষণ নিয়ে কিছু অভিযোগ উঠেছিল। শনিবার হুগলি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পরে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বলেন, “এ বারই প্রথম ইভিএমের জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে। স্ট্রং-রুমগুলিতে বিশেষ নিরাপত্তা থাকে। প্রার্থী বা তাঁদের এজেন্টরা ২৪ ঘণ্টা তা পাহারা দিতে পারেন।” কমিশন জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফাও প্রথম দফার মতো কড়া নজরদারিতেই হবে। এই দফায় ১৪২টি আসনে আগে ৪০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিযুক্ত ছিলেন। আগামী ২৯ এপ্রিল ভোটের আগে আরও ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাঁরা বিশেষ বিশেষ এলাকার উপর নজরদারি চালাবেন। এই দফায় ২৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। আচরণ এবং নিরপেক্ষতার প্রশ্নে শুক্রবারই ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এসডিপিও এবং ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, উস্তি থানার আইসি অপসারণ করেছে কমিশন।

অন্যদিকে, প্রথম দফায় কোনও পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা শনিবার রাত পর্যন্ত করেনি কমিশন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে এ দিন সিইও জানিয়েছেন, “প্রথম দফার মতোই দ্বিতীয় দফাতেও বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে নিরাপত্তার পুরো দায়িত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীর। সেখানে ভোটার এবং অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। সিসিটিভি-তে ১০০ শতাংশ নজরদারি চলবে। বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনী অফিস থেকে প্রতি মুহূর্তে পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হবে। বুথের ভিতরে কোনও গোলমাল হলে বা ভোটারদের ভয় দেখানোর প্রমাণ মিললে প্রয়োজনে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।” প্রথম দফায় অবশ্য এমন অভিযোগ কিছু ওঠেনি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

women voters Voter

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy