Advertisement
E-Paper

ভোটের নজরদারি কেমন হবে? থানায় থানায় গিয়ে কমিশনের নির্দেশ পৌঁছে দিলেন কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার অজয়

পশ্চিমবঙ্গে ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোট। রবিবার কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা দু’টি থানায় যান নতুন কমিশনার অজয় নন্দ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ১৮:৩৪
রবিবার হেয়ার স্ট্রিট থানায় কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয়কুমার নন্দ।

রবিবার হেয়ার স্ট্রিট থানায় কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয়কুমার নন্দ। — নিজস্ব চিত্র।

রাজ্যে ভোটের সময়ে কী ভাবে নজরদারি চলবে, তা পুলিশ-প্রশাসনকে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনার। এ বার সেই নির্দেশ তৃণমূলস্তরের পুলিশকর্মীদের কাছে পৌঁছোনোর কাজ শুরু করল কলকাতা পুলিশ। রবিবার সেই কাজে ভাঙড় থানায় গিয়েছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ। তার পরে তিনি হেয়ার স্ট্রিট থানায় যান। সেখান থেকে বেরিয়ে কমিশনার জানান, কমিশনের নির্দেশ পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন সিনিয়র অফিসারেরা।

পশ্চিমবঙ্গে ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোট। ভোটে কী ভাবে নজরদারি চালানো হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে পুলিশ-প্রশাসনকে জানিয়েছে কমিশন। সেই বিষয়টি কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা থানার সকল পুলিশকর্মীর কাছে যাতে পৌঁছোয়, এ বার সেই নিয়ে উদ্যোগী হলেন নতুন কমিশনার নন্দ। রবিবার কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা দু’টি থানায় যান তিনি। হেয়ার স্ট্রিট থানা থেকে বেরিয়ে নন্দ বলেন, ‘‘থানায় এসে পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে কথা বলছি। ব্রিফিং করছি। কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, কী ভাবে ভোট হবে। ছ’টি লক্ষ্য (অবজেকটিভ) রয়েছে।’’ কী সেই লক্ষ্য, তা-ও জানিয়েছেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার। তিনি বলেন, ‘‘কমিশন জানিয়েছে, যেখানে ভোট হবে, সেখানে হিংসা হবে না, হুমকি দেওয়া যাবে না। ছাপ্পা হবে না। বুথ জ্যামিং হবে না। সব থানাকে সিনিয়র অফিসার ব্রিফিং করছেন। লক্ষ্য পূরণ করব।’’ তিনি জানান, ইতিমধ্যে তদারকি শুরু হয়েছে। থানায় সর্বস্তরের কর্মীদের বিষয়টি জানাচ্ছেন সিনিয়র অফিসারেরা।

এর পরেই অজয়কে আরজি করে লিফ্‌ট-কাণ্ডের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলনে, ‘‘শুনেছি, প্রত্যক্ষদর্শী এবং মৃতের স্ত্রী যে বয়ান দিয়েছেন, সেটাই ফার্স্ট হ্যান্ড ইনফরমেশন।’’ তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, লিফ্‌টে সম্ভবত ‘ম্যালফাংশন’ বা ত্রুটি হয়েছিল।

গত ১৬ মার্চ কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে দেয় কমিশন। তাঁর জায়গায় নিয়োগ করা হয় আইপিএস নন্দকে। তিনি ১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস আধিকারিক। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। মাওবাদী দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। আসানসোল-দুর্গাপুরের কমিশনার হিসাবেও কাজ করেছেন একসময়। ছিলেন কলকাতা পুলিশেও। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ-এর প্রথম আইজি নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। এ বার কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা এলাকায় ভোট করানো নিয়ে মুখ খুললেন তিনি।

Kolkata Police Commissioner
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy