Advertisement

রাতভর জেগে ছিলাম, জেলায় জেলায় তৃণমূলের ছেলেদের টার্গেট করছে বাহিনী: মমতা! সকাল থেকে ঘুরছেন বুথে বুথে

চক্রবেড়িয়ার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে বাড়ি থেকে বার হতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগ পেয়েও ওই ওয়ার্ডে যান মমতা। সেখানকার একটি বুথের বাইরে বেশ কিছু ক্ষণ বসে থাকেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৪৩
Mamata Banerjee rise complaint against central forces

চেতলায় গিয়ে ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —নিজস্ব চিত্র।

ভবানীপুরে নিজের কেন্দ্রে বুথ পরিদর্শনে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এ-ও জানান, মঙ্গলবার সারা রাত জেগে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন। মমতার অভিযোগ, জেলায় জেলায় তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের নিশানা করছে বাহিনী।

বুধবার সকালে কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন মমতা। সকালে বেরিয়ে সোজা চলে যান চেতলায়। ফিরহাদ হাকিমের পাড়ার একটি বুথে যান তিনি। সেখানে গিয়ে ফিরহাদের সঙ্গে কথাও বলেন। ফিরহাদের বাড়িতে সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষকের যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভপ্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ‘‘মাঝরাতে গিয়ে ববির বাড়ি গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে। মহিলারা আতঙ্কিত!’’ পরে মমতার গাড়ি পদ্মপুকুর রোড ধরে চলে যান চক্রবেড়িয়ায়।

চক্রবেড়িয়ার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে বাড়ি থেকে বার হতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগ পেয়েও ওই ওয়ার্ডে যান মমতা। সেখানকার একটি বুথের বাইরে বেশ কিছু ক্ষণ বসে থাকেন তিনি। কথা বলেন দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। তার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশ পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সকলে চাই নির্বিঘ্নে ভোট মিটুক। তবে বাইরে থেকে অনেক পুলিশ অফিসার নিয়ে এসেছে। তারা বাংলাকে বোঝে না। গতকাল রাতে সারা বাংলা জুড়ে অত্যাচার করেছে। আমি সারা রাত জেগে ছিলাম। পর্যবেক্ষকেরা থানায় গিয়ে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে। শুধু আমাদের দলকে নিশানা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, সব তৃণমূলের এজেন্টকে গ্রেফতার করো। আমার দলের যুব সভাপতিকে আজ সকালেই গ্রেফতার করেছিল। পরে ববি গিয়ে ছাড়িয়ে আনে।’’

ভিডিয়ো দেখিয়ে মমতার অভিযোগ, ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বাড়িতে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদের সঙ্গে পুলিশ ছিল না। মমতার কথায়, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনী যখন গিয়েছিল, তখন বাড়িতে ওঁর (৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের) স্ত্রী একা ছিলেন। ফোন কেড়ে নেওয়া নিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে।’’ একই সঙ্গে ভাঙড়ে পুলিশের বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ তুলেছেন মমতা। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে একই অভিযোগ তোলে তৃণমূলও। লেখে, ‘মমতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন আমরাও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। কিন্তু বিজেপির নোংরা কৌশল চলতে থাকলে আমরা চুপ থাকব না।’’ তৃণমূলের দাবি, বিজেপির ‘ভয়’, দমনের রাজনীতি চলবে না পশ্চিমবঙ্গে।

সাধারণত ভোটের দিন সকালের দিকে বাড়িতেই থাকেন মমতা। বাড়ি থেকেই ভোট সংক্রান্ত খবরাখবর রাখেন। তার পরে বেলা গড়ালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে চলে যান ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে। সেখানকার বুথেই ভোট দেন তিনি। তবে বুধবার অন্য ছবি দেখল পশ্চিমবঙ্গ। রেওয়াজ ভেঙে ভোটের দিন সকালেই বুথ পরিদর্শনে বার হয়েছেন মমতা।

Mamata Banerjee
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy