এফআইআর হয়েছিল আগেই। এ বার বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়কে নোটিসও পাঠাল পুলিশ। অভিযোগ, বেহালার পর্ণশ্রীতে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করেছেন রত্না এবং তাঁর লোকজন। সেই ঘটনায় রত্নাকে ডেকে পাঠাল কলকাতা পুলিশ।
রবিবার দুপুর থেকে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পর্ণশ্রী। রাত পর্যন্ত উত্তেজনা ছিল ওই এলাকায়। পর্ণশ্রীর একটি বিজেপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। বিজেপির অভিযোগ, রবিবার দুপুরে পর্ণশ্রীতে তাঁদের দলের কার্যালয়ে গিয়ে পোস্টার এবং ব্যানার ছিঁড়ে দেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। দফতরে ভাঙচুরও চালানো হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তোলে বিজেপি।
রবিবার ওই এলাকায় পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে অশান্তির সূত্রপাত। এ নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। তাঁরা হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর নেতৃত্বে পর্ণশ্রী থানা কিছু ক্ষণ ঘেরাও করে রাখা হয়। সেখানে ধর্নায় বসে বিজেপি।
আরও পড়ুন:
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল বিজেপি। পরে পর্ণশ্রী থানায় যান রত্নাও। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, তাদের ব্যানার ও পোস্টার ছেঁড়া হয়েছিল। বিজেপির বিরুদ্ধে পর্ণশ্রী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন রত্নাও। বিজেপি অভিযোগ করলেও ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে রত্না ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে পর্ণশ্রীর ঘটনায় পদক্ষেপ করে নির্বাচন কমিশন। তাদের নির্দেশে রত্নার নামে এফআইআর দায়ের হয় পর্ণশ্রী থানায়। রবিবারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক।