Advertisement

নবান্ন অভিযান

‘এ বার হবে না ভাই’! ফের চোর-চোর স্লোগান শুনেও ‘মাথা ঠান্ডা’ শুভেন্দুর, তৃণমূলকে বার্তা নন্দীগ্রামের অধিকারীর

বুধবার নন্দীগ্রামের দীনবন্ধুপুর যাচ্ছিলেন শুভেন্দু এবং তাঁর দলবল। রাস্তায় তাঁকে দেখেই ‘জয় বাংলা’, ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন একদল লোক।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৪১
Suvendu Adhikari

শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: সংগৃহীত।

মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে জানিয়েছিলেন, নন্দীগ্রাম এ বার তাঁর কাছে ‘সহজ’। গত বার ভোটের পাটিগণিতে লড়াই খানিক কঠিন ছিল। বুধবার সেই নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের বিক্ষোভ এবং স্লোগানের মুখে পড়লেন বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। আবার তাঁকে উদ্দেশ করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিলেন শাসকদলের নেতা-কর্মী এবং সমর্থকেরা। তবে এ বার মাথা ‘ঠান্ডা’ রাখলেন শুভেন্দু।

বুধবার নন্দীগ্রামের দীনবন্ধুপুর যাচ্ছিলেন শুভেন্দু এবং তাঁর দলবল। রাস্তায় তাঁকে দেখেই ‘জয় বাংলা’, ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন একদল লোক। পাল্টা শুভেন্দুর সঙ্গীদের কয়েক জন তাঁদের তৃণমূল বলে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলেন। ওই পরিস্থিতিতে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন শুভেন্দু।

এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি অতীতেও একাধিক বার হয়েছেন শুভেন্দুর। প্রতি বারই তাঁর গরমাগরম মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক হয়েছে। তবে এ বার সাদা গাড়ি থেকে নেমে শুভেন্দু বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘এ সব করে লাভ নেই। এ বার হবে না, ভাই। ২০২১-এর মতো করতে দেব না। আমার অধিকার আছে প্রার্থী হিসাবে সকলের কাছে যাওয়ার।’’

ওই সময়ে মহিলারা শুভেন্দুর উদ্দেশে কিছু অনুযোগ জানান। তার জবাবে ঠান্ডা মাথায় বিজেপি প্রার্থী বলেন, ‘‘যে ও সব করে তাকে বলবেন। আমাকে বলবেন না।’’ নেতার সহযোগীরা বলতে গেলে শুভেন্দু তাঁদের বাধা দিয়ে বলেন, ‘‘না, মহিলারা এখানে কিছু বলেননি। আমার এমএলএ অফিস থেকে সবাই পরিষেবা পেয়েছে। এ সব করে লাভ নেই।’’

এ বার নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দু’টি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী বিরোধী দলনেতা। নন্দীগ্রামে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের পবিত্র কর। গত বিধানসভা ভোটে যিনি ছিলেন তাঁর অন্যতম সহযোগী।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Suvendu Adhikari BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy