মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে জানিয়েছিলেন, নন্দীগ্রাম এ বার তাঁর কাছে ‘সহজ’। গত বার ভোটের পাটিগণিতে লড়াই খানিক কঠিন ছিল। বুধবার সেই নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের বিক্ষোভ এবং স্লোগানের মুখে পড়লেন বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। আবার তাঁকে উদ্দেশ করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিলেন শাসকদলের নেতা-কর্মী এবং সমর্থকেরা। তবে এ বার মাথা ‘ঠান্ডা’ রাখলেন শুভেন্দু।
বুধবার নন্দীগ্রামের দীনবন্ধুপুর যাচ্ছিলেন শুভেন্দু এবং তাঁর দলবল। রাস্তায় তাঁকে দেখেই ‘জয় বাংলা’, ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন একদল লোক। পাল্টা শুভেন্দুর সঙ্গীদের কয়েক জন তাঁদের তৃণমূল বলে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলেন। ওই পরিস্থিতিতে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন শুভেন্দু।
এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি অতীতেও একাধিক বার হয়েছেন শুভেন্দুর। প্রতি বারই তাঁর গরমাগরম মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক হয়েছে। তবে এ বার সাদা গাড়ি থেকে নেমে শুভেন্দু বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘এ সব করে লাভ নেই। এ বার হবে না, ভাই। ২০২১-এর মতো করতে দেব না। আমার অধিকার আছে প্রার্থী হিসাবে সকলের কাছে যাওয়ার।’’
ওই সময়ে মহিলারা শুভেন্দুর উদ্দেশে কিছু অনুযোগ জানান। তার জবাবে ঠান্ডা মাথায় বিজেপি প্রার্থী বলেন, ‘‘যে ও সব করে তাকে বলবেন। আমাকে বলবেন না।’’ নেতার সহযোগীরা বলতে গেলে শুভেন্দু তাঁদের বাধা দিয়ে বলেন, ‘‘না, মহিলারা এখানে কিছু বলেননি। আমার এমএলএ অফিস থেকে সবাই পরিষেবা পেয়েছে। এ সব করে লাভ নেই।’’
আরও পড়ুন:
এ বার নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দু’টি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী বিরোধী দলনেতা। নন্দীগ্রামে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের পবিত্র কর। গত বিধানসভা ভোটে যিনি ছিলেন তাঁর অন্যতম সহযোগী।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০০:৪২
‘এই জয় আমার, জয় সিপিএমের’! বাতিল ভোটারদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে দাবি মোস্তারির -
২৩:২২
তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগ! রাজ্যের পাঁচ বিএলও-কে সাসপেন্ড করল কমিশন, তিন জনের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ -
২২:৪৮
‘প্রচার রুখতেই নজরবন্দি করা হচ্ছে’! দেবাশিস-সহ নানা তৃণমূল নেতার বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে কী কী বললেন মমতা -
২০:৩১
‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার, আমি এত উদার নই’! তারিখ দিয়ে ‘অত্যাচারের হিসাব’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি অভিষেকের -
১৯:৩৩
পাহাড়ের জনতাকে ভোটমুখী করতে ‘হাতিয়ার’ টয় ট্রেন, দার্জিলিঙে যাত্রা শুরু করল ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’!