পশ্চিমবঙ্গে ৮০টি আসনে জিতেছে তৃণমূল। পরিসংখ্যান বলছে, তার মধ্যে ৭৩টি আসনেই সংখ্যালঘু ভোটারের হার ২৫ শতাংশের বেশি। অর্থাৎ, সেখানে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়ে থাকেন সংখ্যালঘুরা। প্রশ্ন উঠেছে, ওই ৭৩টি আসনে যদি সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা ২৫ শতাংশের চেয়ে কম হত, তা হলে কি সেখানে জিততে পারত তৃণমূল?
সেই সঙ্গে এই পরিসংখ্যান আরও একটি বিষয় মনে করাচ্ছে যে, তৃণমূলের জয়ের অন্যতম ‘পুঁজি’ ছিল যে সব সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসন, এ বার তাতে বিজেপি ভাগ বসালেও তা পুরোপুরি কাড়তে পারেনি। সে কারণে রাজ্যে মোট যত আসনে তৃণমূল জয়ী হয়েছে, তার ৯১ শতাংশই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত।
রাজ্যে সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা ২৫ শতাংশের বেশি, এমন ১৪৬টি (ফলতায় ভোট এখনও হয়নি) আসনের মধ্যে তৃণমূল এ বার পেয়েছে ৭৩টি আসন। ২০২১ সালের ভোটে সেই সংখ্যাটা ছিল ১২৯। ওই ১৪৬টি আসনের মধ্যে ৬৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি, যেখানে গত ভোটে তারা জিতেছিল মাত্র ১৬টিতে। আবার ওই ১৪৬টি আসনের মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটারের হার ৪০ শতাংশের বেশি, এমন ১৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। যেখানে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এমন মাত্র দু’টি আসনে জয়ী হয়েছিল তারা।
সেই সূত্রেই প্রশ্ন উঠছে, শুধুই কি মেরুকরণের তাসে ভর করে হিন্দু ভোট ঝুলিতে পুরেছে বিজেপি? অনেকে বলছেন, শুধু মেরুকরণই কারণ নয়।
রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ আসনে সংখ্যালঘু ভোট এত দিন পর্যন্ত ছিল ‘নির্ণায়ক’। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের ফলাফলে সেই সমীকরণে আমূল বদল ঘটে গিয়েছে। এক দিকে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিভিন্ন জেলায় মুসলিম ভোট বিভাজিত হয়েছে। সমান্তরাল ভাবে সংঘবদ্ধ হয়েছে হিন্দু তথা সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট।
পাঁচ বছর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে মালদহ, মুর্শিদাবাদে সর্বোচ্চ সাফল্য পেয়েছিল তৃণমূল। মালদহে ১০টির মধ্যে ৮টি, মুর্শিদাবাদে ২২টির মধ্যে ২০টি আসন জিতেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এই দুই জেলাতেই সংখ্যালঘুরা সংখ্যাগুরু। উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় মুসলিম ভোট রয়েছে। পাঁচ বছর আগে ওই জেলাতেও তৃণমূল উল্লেখযোগ্য ফলাফল করেছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, পাঁচ বছরের মধ্যে তাদের সেই সাফল্য ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। মালদহে এ বার ১০টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনের মধ্যে ৬টিতে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। বাকি ৪টিতে জয়ী বিজেপি। যেখানে গত ভোটে বিজেপি জিতেছিল দু’টিতে। মুর্শিদাবাদে এ বার তৃণমূল জিতেছে ৯টি আসনে। বিজেপি জিতেছে ৮টি আসনে। একই প্রবণতা হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও। বাদ যায়নি বীরভূম-সহ, পূর্ব বর্ধমান-সহ গোটা রাঢ়বঙ্গ। তৃণমূলের ‘গড়’ বলে পরিচিত যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, গত বিধানসভা ভোটে সেখানে একটি আসনও পায়নি বিজেপি। এ বার সেখানে চারটি আসনে জিতেছে তারা। তার মধ্যে একটি সাতগাছিয়া, যা তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১৮টি আসন। গত বারের মতোই ভাঙড় আসনটি পেয়েছে আইএসএফ।
জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, বড়ঞাঁর মতো যে সব কেন্দ্রে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি, সেখানেও এ বার জিতেছে বিজেপি। মানিকচক, করণদিঘি, হেমতাবাদের মতো মুসলিম অধ্যুষিত আসনেও একই ছবি। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বেশ কিছু আসনে দেখা গিয়েছে, দু’টি বিষয় সমান্তরাল ভাবে ঘটেছে। এক, তৃণমূলের বাক্সে থাকা সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসিয়েছে সিপিএম, কংগ্রেস, আইএসএফ এবং হুমায়ুন কবীরের দল এজেইউপি। দুই, উল্টোদিকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে হিন্দু ভোট। পরিসংখ্যান নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের কেউ কেউ মনে করছেন, হিন্দু ভোটের যে মেরুকরণ এ বার বিধানসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে, তা অতীতে কখনও হয়নি। এমনকি, উত্তর এবং পশ্চিম ভারতে বিজেপি-শাসিত যে সব রাজ্য রয়েছে, সেখানকার তুলনায়ও পশ্চিমবঙ্গে এ বারের নির্বাচনে হিন্দু ভোট ঐক্যবদ্ধ হয়েছে অনেক বেশি।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসন
২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী রাজ্যে মোট ২৭ শতাংশ মুসলিম। ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টি বিধানসভা রয়েছে, যেখানে সংখ্যালঘু অংশের ভোট ২৫ শতাংশ বা তার বেশি। এর মধ্যে আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোট ৪০ শতাংশেরও বেশি। অর্থাৎ, ওই আসনগুলিতে প্রার্থীদের জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন সংখ্যালঘুরা। ৪০ শতাংশেরও বেশি সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছে, এমন আসনের সংখ্যা রাজ্যে সবচেয়ে বেশি মুর্শিদাবাদে। সেখানকার ২২টি বিধানসভা আসনেই সংখ্যালঘু ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১১টি বিধানসভা আসনে মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। উত্তর ২৪ পরগনায় ৯টি এবং উত্তর দিনাজপুরে ৭টি আসনেও সংখ্যালঘু ভোট ৪০ শতাংশের বেশি। মালদহের ৮টি আসনে মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। নদিয়ায় তেমন আসনের সংখ্যা ৬টি। কলকাতায় বন্দর এবং চৌরঙ্গি বিধানসভা কেন্দ্রেও মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি।
আগের ভোটের ফল
মুসলিম ভোটের হার ২৫ শতাংশ বেশি, রাজ্যের এমন ১৪৬টি আসনে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ১৬টিতে। তার মধ্যে দু’টি আসন মু্র্শিদাবাদ এবং বহরমপুর। যেখানে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি। ওই ভোটেই ভাঙড়ে জয়ী হয়েছিলেন আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি। মুসলিম অধ্যুষিত বাকি ১২৯টি আসনেই জিতেছিল তৃণমূল। মুর্শিদাবাদের মোট ২২টি আসনের মধ্যে গত বিধানসভায় ২০টিই জিতেছিল তারা। মালদহে মোট আসন ১২টি। ২০২১ সালে সেখানে তৃণমূল পেয়েছিল ৮টি আসন। বিজেপি ৪টি। দু’বছর পরে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৪৬টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিধানসভা আসনের মধ্যে ২৪টিতে ভোটের নিরিখে শীর্ষস্থানে ছিল বিজেপি। ১১টি আসনে শীর্ষস্থানে ছিল কংগ্রেস। সিপিএম শুধু মুর্শিদাবাদের রানিনগরে। বাকি ১১০টি বিধানসভা কেন্দ্রে শীর্ষে ছিল তৃণমূল। তার পাঁচ বছর আগে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ওই ১৪৬টি আসনের মধ্যে ১১৬টিতেই জিতেছিল তৃণমূল। ১৪টিতে জিতেছিল সিপিএম, আরএসপি এবং ফরওয়ার্ড ব্লক। ১৪টিতে কংগ্রেস। একটিতে জিতেছিল বিজেপি এবং একটিতে নির্দল। তারও আগে ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের ভোটে আবার ওই ১৪৬টি আসনের মধ্যে ৭৭টি জিতেছিল তৃণমূল। তাদের তদানীন্তন জোটসঙ্গী কংগ্রেস জিতেছিল ৩১টি আসনে। এসইউসি জিতেছিল একটিতে, নির্দল একটি আসনে। বামেরা জিতেছিল ৩৬টি আসনে।
আরও পড়ুন:
সংখ্যালঘু ভোটের সমীকরণ
২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটের বড় অংশ ক্রমে নিজেদের দিকে টেনে আনতে সক্ষম হয়েছিল তৃণমূল। তাদের জয়ের ‘পুঁজি’ হয়ে উঠেছিল সেই ভোট। ২০১১ সালে মমতার ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সংখ্যালঘুরা। ১৪৬টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনের মধ্যে ৭৭টিতেই জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। সেই ভোটে তৃণমূলের জোটসঙ্গী ছিল কংগ্রেস। মালদহ, মুর্শিদাবাদে সংখ্যালঘুদের ভোট ছিল কংগ্রেসের দিকে। সেই ‘সুবিধা’ পেয়েছিল তৃণমূল। তবে ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচন থেকেই উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বেশির ভাগ আসনে জিতেছে তৃণমূল। ১৫ বছর ধরে সরকার চালানোর পরে গত কয়েক মাসে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে তৃণমূলের ‘উদ্বিগ্ন’ হওয়ার কারণ তৈরি হয়। নির্বাচনের মাস কয়েক আগে নিজের দল গড়েন তৃণমূল থেকে নিলম্বিত বিধায়ক হুমায়ুন। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন তিনি। কেউ কেউ মনে করেন, সেই শিলান্যাস করে সংখ্যালঘুদের মধ্যে একটি ‘আবেগ’ উস্কে দিতে চেয়েছিলেন হুমায়ুন। তার পরে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম-এর সঙ্গে জোট গড়ে বিধানসভা ভোটে লড়ার কথা ঘোষণা করেন। দাবি করেন, রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোট থাকবে তাঁর পাশেই। যদিও হুমায়ুনের ‘গোপন কথার’ ভিডিয়ো তৃণমূল প্রকাশ্যে আনার পরে ছন্দপতন হয় বলেই দাবি করেছিল শাসকদলের একাংশ। হুমায়ুনের হাত ছাড়ে মিম। হুমায়ুনের দলেও ভাঙন দেখা যায়। কিন্তু ভোটের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদের দু’টি আসন থেকে জিতেছেন হুমায়ুন স্বয়ং!
২০২১ সালের ভোটের আগে তৈরি হয়েছিল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। তার পর থেকেই তাদের জনসভায় ভিড় বাড়তে শুরু করে। সেই ভিড় অন্তত একটি আসনে ভোটবাক্সে প্রতিফলিত হয়। ভাঙড়ে জয়ী হন নওশাদ। গত পাঁচ বছরে রাজনীতির ময়দানে আরও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন এই তরুণ বিধায়ক। ধর্মের বাইরে গিয়ে রুটি-রুজি নিয়ে কথা বলেছেন। সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর জনসভায় ভিড় হয়েছে। যা ভোটবাক্সে শেষ পর্যন্ত প্রতিফলিত হয়েছে। ভাঙড়ে এ বারও জয়ী হয়েছেন নওশাদ।
চলতি বছরের শুরুতে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরে গিয়েছিলেন মৌসম বেনজির নুর। মালদহ, মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের কাছে মৌসমের দলত্যাগ যে কিছুটা ‘উদ্বেগে’র কারণ হয়েছিল, তা স্বীকার করে নিয়েছিলেন তৃণমূলের শীর্ষনেতাদের একাংশ। তবে দল বদলেও মৌসম মালতীপুরে জিততে পারেননি।
অন্যদিকে, সব হিসাব মাথায় রেখেই চলতি ভোটে ৪৭ জন সংখ্যালঘুকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। সেখানে রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল বিজেপি এক জন সংখ্যালঘুকেও টিকিট দেয়নি! কেউ কেউ মনে করছেন, বিজেপির এই পদক্ষেপেই হিন্দু ভোট অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। তার প্রভাব স্পষ্ট পড়েছে ভোটবাক্সে। আবার একইসঙ্গে বিজেপি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনের ৪৫ শতাংশের বেশি ভরেছে নিজের ঝুলিতে। পক্ষান্তরে, মুসলিম অধ্যুষিত ১৪৬টি আসনের মধ্যে যেখানে তৃণমূল গত ভোটে পেয়েছিল ১২৯টি, সেখানে এ বার তারা পেয়েছে ৭৩টি।
এই ভোটে মমতার ভরাডুবির পরে প্রশ্ন, অদূর ভবিষ্যতে কি সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলকে ছেড়ে বাম-কংগ্রেসের দিকে যেতে শুরু করবে? সম্ভবত ২০২৯ সালের লোকসভা ভোটে তার প্রাথমিক আভাস পাওয়া যাবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
০০:৩১
দিকে দিকে আক্রান্ত বাম-বিজেপি-তৃণমূল! খাস কলকাতায় চলল বুলডোজ়ার, বসিরহাটে জখম পুলিশ -
২৩:১৭
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের -
২১:৫৫
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত -
১৮:২৩
সিসিটিভি বন্ধ করে গণনাকেন্দ্রে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ মমতার! ‘অসত্যভাষণ’ বলে ওড়ালেন নির্বাচনী আধিকারিক -
১৫:৫৯
কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি! ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্ন কেন উঠছে? বললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা