বদলির নির্দেশের পরেও পুরনো দায়িত্বে কাজ করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার বা আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে। অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের বদলির নির্দেশ মেনে চলার কথা বলা হয়েছে রাজ্য পুলিশের তরফে। এডি়জি (আইনশৃঙ্খলা) অজয় মুকুন্দ রানাডে পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন।
বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনে নানা স্তরে অদল-বদল করছে কমিশন। অনেক পদেই বদল করা হয়েছে। শুধু কমিশন নয়, প্রশাসনও কিছু আধিকারিককে বদলি করেছে। তবে অভিযোগ, বদলির নির্দেশ পাওয়ার পরেও কোনও কোনও পুলিশ অফিসার বা আধিকারিক নাকি পুরনো জায়গাতেই কাজ করছেন। কমিশনের তরফে এই ধরনের অভিযোগ পাওয়া পরেই নড়েচড়ে বসল রাজ্য পুলিশ।
এডিজি (আইনশৃঙ্খলা)-র জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে সব পুলিশ অফিসারকে করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এখনও পুরনো কর্মস্থল ছেড়ে যাননি। যে সব পুলিশ অফিসার কমিশনের নির্দেশ অমান্য করছেন, তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে। অবিলম্বে কমিশনের নির্দেশ মানতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশিকায়। যদি এই নির্দেশের অন্যথা হয় তবে সংশ্লিষ্ট অফিসার এবং তিনি যাঁর অধীনে কর্মরত, তাঁদের বিরুদ্ধে কমিশনের নিয়ম মেনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে।
আরও পড়ুন:
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বদলি হওয়া অফিসারদের নতুন পদে কাজ করতে হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সশরীরে অফিসে থাকতে হবে তাঁদের। তিনি যাঁর অধীনে কাজ করছেন, তাঁর লিখিত নির্দেশ ছাড়া তাঁরা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না। এডিজি (আইনশৃঙ্খলা)-র জারি করা এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা মঙ্গলবার দুপুর ২টোর মধ্যে সংশ্লিষ্ট দফতরকে রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে আমলা এবং আইপিএস পদে বদল করছে কমিশন। ভোট ঘোষণার দিন মধ্যরাত থেকে এই পর্ব শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করেছিল কমিশন। এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত