ভবানীপুরে উত্তেজনা। ভোট পরিদর্শনে কালীঘাট চত্বরে পৌঁছোতেই শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের মহিলা কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। ওঠে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। বিক্ষোভের মুখে পড়ে ফোনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডাকেন শুভেন্দু। তার পরেই ঘটনাস্থলে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে তারা। শুভেন্দুর অভিযোগ, এলাকায় বহিরাগতদের ঢুকিয়েছে তৃণমূল। ‘বহিরাগতদের’ ধরতে বাহিনীর সঙ্গে দৌড়োতে দেখা যায় শুভেন্দুকেও। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু।
বুধবার সাড়ে ১২টা নাগাদ ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মুক্তদল মোড় এলাকায় শুভেন্দুর গাড়ি পৌঁছোতেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের মহিলা কর্মী-সমর্থকেরা। শুভেন্দুকে লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। শুভেন্দু গাড়ি থেকে নেমে এগিয়ে যান। তার পর ফের গাড়িতে উঠে চলে যান কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায়। সেখানে তৃণমূল কর্মীরা শুভেন্দুর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকলে বিজেপি কর্মীরা পাল্টা ‘পিসি চোর-ভাইপো চোর’ স্লোগান দেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকায় ঢোকার পর জওয়ানদের নিয়ে ঢোকেন শুভেন্দু। বিজেপির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃবধূ তথা ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুকে দেখে দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মীদের স্লোগান দিতে বলেন। তার পরেই দু’পক্ষের মধ্যে স্লোগানযুদ্ধ শুরু হয়।
গাড়ি থেকেই নির্বাচন কমিশনে ফোন করেন শুভেন্দু। ফোনে তিনি এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর আর্জি জানান। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা এসে লাঠিচার্জ শুরু করলে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। তার পর পটুয়াপাড়ায় ঢোকেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, “এ সব যত করবে, তত আমার ভোট বাড়বে। ভবানীপুর ভদ্রলোকেদের জায়গা। এখানে এ সব করে লাভ নেই।” পাল্টা কাজরী বলেন, “এখানে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট চলছিল। উনি অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন। ভোটারদের প্রভাবিত করছেন। তাই এলাকার মা-বোনেরা বিক্ষোভ দেখিয়েছে।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
সরাসরি
০৯:৪৩
দুপুর ১টা পর্যন্তও ভোটদানের হারে এগিয়ে প্রথম দফা! দ্বিতীয় দফায় হার ৬১.১১ শতাংশ, তালিকায় শীর্ষে সেই পূর্ব বর্ধমান -
০৭:৫৪
‘রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন’! শেষ দফার ভোটপর্বের শুরুতে আবেদন মোদীর, বিশেষ আর্জি মহিলা-যুব সম্প্রদায়কে -
সরাসরি
০১:৩৮
প্রথম বার নিজেকে ভোট তৃণমূল প্রার্থী লাভলীর, আঙুলে ভোটের কালি নিয়ে স্মৃতিমেদুর তমন্নার মা, আপাতত ‘শান্ত’ ভবানীপুর -
০০:৩৫
‘সিংহম’ অজয়পালের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা! পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে দায়িত্ব থেকে সরানোর আর্জি -
২৩:২৪
রাজ্যের ১৪২টি আসনে মানুষের রায় যন্ত্রবন্দি হবে বুধবার! দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে কত বুথ, কত ভোটার, বাহিনী থাকছে কত?