Advertisement

নবান্ন অভিযান

নির্বাচনী সভার প্রস্তুতি সেরে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী! কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচার নিয়ে তাঁদের সভা ছিল। সেই বৈঠকর শেষে বাইক নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী। তখনই তাঁর উপর হামলা হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৮
Gun

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

দলীয় কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন তৃণমূলের এক কর্মী। জখম যুবকের নাম দিব্যেন্দু গায়েন। বর্তমানে কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর।

দিব্যেন্দু গোসাবার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ গোসাবার শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূপেন্দ্রপুর এলাকায় দিব্যেন্দুকে গুলি করেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি।

তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচার নিয়ে তাঁদের সভা ছিল। সেই বৈঠকর শেষে বাইক নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী। মাঝরাস্তায় আচমকা দুষ্কৃতীরা দিব্যেন্দুকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি লাগে ডান পায়ের উরুতে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয়েরা তৃণমূল কর্মীকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

Advertisement

গুলিকাণ্ডে তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে। বিজেপি এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে খবর, দিব্যেন্দু তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। আগামী ২২ এপ্রিল গোসাবায় তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মণ্ডলের সমর্থনে একটি নির্বাচনী সভা রয়েছে। সেই সভার প্রস্তুতি নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় দলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। বৈঠক সেরে ফেরার পথেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। গুলিকাণ্ডের নেপথ্যে কারা, কী কারণে এই হামলা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
TMC gosaba Crime BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy