বিজেপিতে যোগদান করলেন কামদুনি কাণ্ডের প্রতিবাদী মুখ টুম্পা কয়াল। রবিবার বিধাননগরের দলীয় দফতরে টুম্পার হাতে দলের পতাকা তুলে দেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়। টুম্পার সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দেন প্রাক্তন পুলিশকর্তা শর্বরী ভট্টাচার্য এবং শিক্ষক প্রবীণকুমার সিংহ।
টুম্পা-শর্বরীদের বিজেপিতে স্বাগত জানিয়ে লকেট বলেন, ‘‘এ রাজ্যে নির্যাতিতার কোনও বিচার হয় না। তৃণমূলের নেতা হলেই অপরাধ মাফ হয়ে যায়। আজ এঁরা বুঝেছেন যে, মহিলাদের পাশে দাঁড়িয়েছে একমাত্র বিজেপি। মহিলাদের সুরক্ষা, সম্মান দিতে পারে বিজেপি।” বিজেপিতে যোগ দিয়ে টুম্পা বলেন, “২০১৩ সাল থেকে বিজেপি আমাদের সঙ্গে ছিল। হাই কোর্ট থেকে নিরাশ হয়ে যখন ফিরেছিলাম, তখন দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সময় পাশে ছিল বিজেপি। তাই বিজেপিতে যোগদান করে মহিলা সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে এই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারব।’’
আরও পড়ুন:
অন্য দিকে, রবিবার সকাল ও বিকেলে ভবানীপুরে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে প্রচার করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রবিবার নির্যাতিতার মায়ের হয়ে প্রচার করেন পানিহাটিতে। আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা এবং নিহত চিকিৎসকের মা বিজেপি প্রার্থী হিসাবে পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রবিবার সকালে নির্যাতিতার মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘মন কি বাত’ শোনেন সুকান্ত। পরে নির্যাতিতার মায়ের সমর্থনে একটি সভাও করেন সুকান্ত।
পানিহাটির সভায় সুকান্ত বলেন, “নির্যাতিতা চিকিৎসকের মা এ বার এখানে আমাদের দলের প্রার্থী হয়েছেন। ওই চিকিৎসক তাঁর একমাত্র সন্তান ছিলেন। আমিও আমার মা-বাবার একমাত্র সন্তান। তাই আমি বুঝি, একমাত্র সন্তানকে নিয়ে মা-বাবার দুর্বলতা কেমন হয়। সেই সন্তানকে ওঁরা হারিয়ে ফেলেছেন। ওঁদের জীবনে আর কিছুই নেই। তা সত্ত্বেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ওঁরা লড়তে নেমেছেন, তার জন্য ওঁদের ধন্যবাদ জানানো উচিত।’’ সভায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল এবং পানিহাটির বিদায়ী বিধায়ক নির্মল ঘোষকেও আক্রমণ করেন সুকান্ত। প্রসঙ্গত, নির্মলের পুত্র তীর্থঙ্কর ঘোষকে এ বার পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে তৃণমূল।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
১৭:১৭
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ -
দিকে দিকে আক্রান্ত বাম-বিজেপি-তৃণমূল! খাস কলকাতায় চলল বুলডোজ়ার, বসিরহাটে জখম পুলিশ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত
-
সিসিটিভি বন্ধ করে গণনাকেন্দ্রে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ মমতার! ‘অসত্যভাষণ’ বলে ওড়ালেন নির্বাচনী আধিকারিক