ভোটের আগে রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের ফের বদলির নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। রবিবার নন্দীগ্রামের দু’টি ব্লক-সহ রাজ্যের মোট ৮৩টি ব্লকের বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার (এআরও)-কে বদলি করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। এই জেলায় ১৪ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। তার পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এই জেলায় ১১ জনকে বদলি করা হয়েছে। তা ছাড়াও কোচবিহারে তিন জন, জলপাইগুড়িতে চার জন, উত্তর দিনাজপুরে এক জন, দক্ষিণ দিনাজপুরে এক জন, মালদহে ছ’জন, মুর্শিদাবাদে চার জনকে বদলি করা হয়েছে।
নদিয়ায় পাঁচ জন, উত্তর ২৪ পরগনায় সাত জন, হুগলিতে চার জন, হাওড়ায় এক জন, পশ্চিম মেদিনীপুরে দু’জন, পুরুলিয়ায় তিন জন, বাঁকুড়ায় চার জন, পূর্ব বর্ধমানে সাত জন, পশ্চিম বর্ধমানে এক জন এবং বীরভূম ছ’জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন।
অন্য দিকে, রবিবারই নবান্নের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, চার জন রিটার্নিং অফিসারকে অন্য বিধানসভায় বদলি করা হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্যের ১৪টি বিধানসভা আসনের রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করেছিল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার রাতে কমিশন সূত্রে জানা যায়, রাজ্যের ৯ জেলার ১৪ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদল করা হয়েছে। গত সোমবার তাঁদের নিয়োগ করেছিল কমিশনই। পাঁচ দিনের মাথায় ওই রিটার্নিং অফিসারদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
রিটার্নিং অফিসার বদলির ক্ষেত্রেও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন করা হয়। সেখানে পাঁচটি আসনের রিটার্নিং অফিসার পরিবর্তন করা হয়। তা ছাড়া ন’টি আসনে নতুন রিটার্নিং অফিসার নিয়োগও করে কমিশন। তার মধ্যে রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আসন নন্দীগ্রামও।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
২০:২৯
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল টিএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার? -
১৯:১৭
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা -
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত