Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে জোড়া মামলা দায়ের! হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ কল্যাণ-সহ দুই আইনজীবীর, শুনানি শেষ

প্রসঙ্গত, এ বার রাজ্যে ভোটগণনা কেন্দ্রের সংখ্যা আগের চেয়ে কমিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ২৯৪টি আসনের জন্য ৮৭টি কেন্দ্রে ভোট গণনা হবে। কোন জেলায় কোথায় কোথায় গণনা চলবে, তার তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৪৯
ভোটগণনাকে কেন্দ্র করে জোড়া মামলা হাই কোর্টে। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ভোটগণনাকে কেন্দ্র করে জোড়া মামলা হাই কোর্টে। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে জোড়া মামলা দায়ের করতে চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।

কল্যাণের বক্তব্য, ভোট গণনাকেন্দ্রে সুপারভাইজ়ার হিসাবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করছে কমিশন। ওই সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারে না। এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক আদালত। তিনি এই বিষয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়েছেন আদালতের কাছে।

অন্য দিকে, দ্বিতীয় মামলাটি করতে চেয়ে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী বিশ্বরূপ। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ করে গণনাকেন্দ্রের স্থান বদল কেন করা হচ্ছে? দু’টি বিষয়েই মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। দুপুর ২টোয় শুনানির সম্ভাবনা। আগামী ৪ মে ভোটগণনা। তার আগেই গণনাকেন্দ্র নিয়ে জোড়া মামলা দায়ের হল হাই কোর্টে।

প্রসঙ্গত, প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে ২৩ এপ্রিল। আর দ্বিতীয় দফার ভোট হল বুধবার, ২৯ এপ্রিল। রাজ্য জুড়ে দু’দফার ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণই হয়েছে। এ বার রাজ্যে ভোটগণনা কেন্দ্রের সংখ্যা আগের চেয়ে কমিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ২৯৪টি আসনের জন্য ৮৭টি কেন্দ্রে ভোট গণনা হবে। কোন জেলায় কোথায় কোথায় গণনা চলবে, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জেলা ধরে ধরে গণনাকেন্দ্রের ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ভোটগণনা হয়েছিল ৯০টি কেন্দ্রে। ২০২১ সালের নির্বাচনে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ১০৮টি। এ বার তা কমেছে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
vote counting
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy