রাজ্যে ট্রাইবুনালের দফতর হচ্ছে শুধু কলকাতাতেই। একটি দফতরেই বসবেন বিচারপতিরা। তবে জেলায় যে ভোটারদের অতিরিক্ত তালিকায় নাম ওঠেনি, তাঁদের কলকাতার ওই দফতরে ছুটে আসতে হবে না। বাড়িতে বসেই কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন ওই ভোটারেরা। বিচারের প্রক্রিয়ায় যদি কোনও ভোটারের নথির প্রয়োজন হয়, তা হলে তা উদ্দিষ্ট জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের কাছে জমা দিলেই চলবে। তাঁরাই সে সব নথি পাঠিয়ে দেবেন ট্রাইবুনালের দফতরে। আপাতত এই ব্যবস্থাই চলবে।
ট্রাইবুনাল বসবে কলকাতার জোকায় পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ইনস্টিটিউটে। ১৯ জন বিচারপতি সেখানে বসবেন। তাঁরা বিবেচনাধীন ভোটারদের শুনানি কবে থেকে শুরু করবেন, তা ঠিক হয়নি। এই নিয়ে নির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি (এসওপি) কী হবে, তা কলকাতা হাই কোর্ট ঠিক করবে। তবে তার জন্য কলকাতার ওই দফতরে ভোটারকে সশরীরে গিয়ে আবেদন করার বা নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ইসিআইনেট মোবাইল অ্যাপ বা কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করা যাবে।
আরও পড়ুন:
কোনও ভোটারের নাম অতিরিক্ত তালিকায় না তোলা হলে বা বাদ পড়লে, তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ট্রাইবুনালে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইবুনাল গঠন করে কলকাতা হাই কোর্ট। ট্রাইবুনালের কাজে কমিশনকে হস্তক্ষেপ করতে নিষেধ করেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। রাজ্যের ২৩টি জেলার জন্য ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতিকে নিয়ে ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে। ট্রাইবুনালে রয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু, বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ, বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়-সহ ১৯ জন বিচারপতি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কমিশন যে অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯ জনের নাম ‘যোগ্য’ হিসাবে রয়েছে। বিবেচনাধীন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন। সেই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি করছেন বিচারকেরা। রবিবার পর্যন্ত চারটি অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত