দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে
ভোটারদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন। আর সেই বিষয়টি আসতেই
সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী আধিকারিক এবং পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে থাকতে পারেন, তাঁদের যাতে কোনও হুমকির মুখে পড়তে না হয়, তার ব্যবস্থা
করতে হবে। এবং এই পদক্ষেপ করতে হবে রবিবারের মধ্যেই। ভোটারদের ভয়মুক্ত করার কাজ
দ্রুত করার নির্দেশ দেয় কমিশন। সেই নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এফআইআর দায়ের হল রবিবার।
প্রসঙ্গত, ডায়মন্ড হারবারে কয়েকটি বাইকে করে দুষ্কৃতীরা হুমকি দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, ওই বাইক মিছিল থেকে স্লোগান দেওয়া হয়েছে, ‘ভয়ঙ্কর খেলব ৪ তারিখ, মনে থাকে যেন’। এই অভিযোগ কমিশনের কাছে আসতেই, সেখানকার নির্বাচনী আধিকারিক এবং পুলিশকে ভোটারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ডায়মন্ড হারবারে বাইকবাহিনী দুষ্কৃতীদের যে হুমকির অভিযোগ উঠেছে, সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ফুটেজও প্রকাশ করেছে কমিশন। উল্লেখ্য, রবিবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে যাওয়ার কথা রয়েছে সিইও মনোজ অগ্রবালের।
নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ভিডিয়ো থেকে নেওয়া বাইকবাহিনীর ছবি।
আরও পড়ুন:
কাকদ্বীপে গিয়ে সেখানে প্রার্থী এবং তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের নিয়ে বৈঠক করবেন মনোজ। তার পর কাছাকাছি এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন প্রশাসনিক এবং পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে। তার পর সেখান থেকে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফায় যে ১৪২টি কেন্দ্রে ভোট হবে, তার মধ্যে রয়েছে কাকদ্বীপ এবং কাটোয়া। কাটোয়াতেও তিনি প্রার্থী এবং তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তার পর নির্বাচনী আধিকারিক, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং নিরাপত্তাবাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও)-সহ ৫ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে মুখ্যসচিবকে জানানো হয়, বিধানসভা ভোটের আগে ‘আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে’ সাসপেন্ড হওয়া পাঁচ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। তার পরই ওই পাঁচ জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত