এক বছর আগে মুক্তি পেয়েছে ‘পিঙ্ক’। টুইটারে একটা ছবি দিয়ে সেই দিনটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রেট করছিলেন বিগ বি। ছবির ক্যপশানে লিখলেন, ‘টিম পিঙ্ক! অল ইন ওয়ান ফ্রেম!’। ছবিতে রয়েছেন ‘পিঙ্ক’-এর প্রযোজক সুজিত সরকার, সাউন্ড ডিজাইনার দীপঙ্কর চাকি থেকে সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র, এমনকী পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী এবং অন্যান্য সদস্যরা। আর কাকতালীয় ভাবে ছবিতে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের সকলেরই ঝুলিতে রয়েছে জাতীয় পুরস্কার। কিন্তু যাঁদের নিয়ে এই ছবি তাঁদের টিকি অবধি দেখা গেল না ছবিতে। আর সেখানেই বাধে হাজারো গেরো। টুইটারেত্তিদের নজর এড়াতে পারল না সেই ছবি। ‘মহিলারা কোথায়’ বলে সোজা প্রশ্ন ছুড়লেন তারা। আর ট্রোলড হলেন স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন। 

২০১৬ সালের কোর্টরুম ড্রামা ‘পিঙ্ক’ ঝড় তুলেছিল দর্শক মহলে। তাপসী পান্নু, কীর্তি কুলহারি আর আন্দ্রিয়া তালিয়াঙ্গদের অভিনয় সোজাসুজি আঙুল তুলেছিল পিতৃতান্ত্রিক সমাজের দিকে। তবে আরেকজনের নাম না করলেই নয়। তিনি অমিতাভ বচ্চন। কৌঁসুলি হিসেবে তাঁর অভিনয় ছিল সত্যিই চিত্তাকর্ষক। পুরুষ হয়েও সারা ছবি জুড়ে জিইয়ে রেখেছিলেন মহিলা সত্তাদের লড়াই।

আরও পড়ুন

রাতের শহরে হেনস্থার মুখে অভিনেত্রী কাঞ্চনা

পর্নোগ্রাফির অভিযোগে ঢাকার কুসুমের নামে মামলা

আর সেই ছবিরই এক বছর উদ‌্‌যাপন। সেলিব্রেট করতে টুইটারকেই বাছলেন বলিউড সাহেনশা। সেখানে লিখলেন ‘পিঙ্ক-এর টিম। এক ফ্রেমে সক্কলে। আর সকলেরই ঝুলিতে জাতীয় পুরস্কার।’ সে ছবিতে কেবলই পুরুষদের মুখ। কোনও মহিলা অভিনেত্রী বা অন্যান্য কোনও মহিলা কলাকুশলীর দেখা মিলল না সেই ছবিতে। মূলত নারীকেন্দ্রিক ছবি ‘পিঙ্ক’। নারী সমস্যার জন্য যে ছবি এতটা চর্চিত, তাঁর সাফল্য উদ্‌যাপনের ছবিতে কেবলই পুরুষ!

আর তা নিয়ে অনেকেই টুইটারে সরাসরি আক্রমণ করলেন বিগ বি-কে। কেউ তো এও বললেন, ‘পিঙ্ক নাকি নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে ছবি, যাঁরা বলেন তাঁদেরকে থাপ্পর মারা উচিত।’

কেউ বললেন ‘নারীদের তৈরি সিনেমা, এদিকে ফ্রেমে কোনও নারীই নেই।’

ট্রোলড হলেও অবশ্য বিষয়টা নিয়ে অমিতাভ বচ্চন থেকে সুজিত সরকার বা অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী, কারও কোনও প্রতিক্রিয়াই পাওয়া যায়নি।