হয়তো প্রেম!
হয়তো কেন? দুর্গাপুজোয় কি প্রেম হয় না?

প্রশ্নটা করতেই হেসে উঠলেন জয় সরকার। ‘‘আমার এই বয়সে পুজো প্রেমটা আমি দূর থেকেই দেখি। নিজের মধ্যে আনি না। তবে ‘হয়তো প্রেম’এ বছরের পুজো অ্যালবাম। শান আর আকৃতি আশা অডিয়োর জন্য পুজোর অ্যালবাম করেছে। আমি সুর করেছি,’’ বললেন জয়।

একটু ফিরে তাকালেই দেখা যাবে পুজোর অ্যালবাম হিসেবে অলকা ইয়াগনিক আর কুমার শানুর জন্য আশা অডিও থেকে ‘মন’বলে অ্যালবাম তুমুল জনপ্রিয় হয়। সেই জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে এ বার ডুয়েটের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে আকৃতি আর শানকে নিয়ে তৈরি হল ‘হয়তো প্রেম’।

আরও পড়ুন: ‘স্ত্রী’ যে এত টাকার ব্যবসা করবে কখনও কল্পনাও করতে পারিনি: রাজ নিদিমোরু

দেখুন গানের রেকর্ডিংয়ের সেই ভিডিয়ো

মুম্বই থেকে শান জানালেন, ‘‘সুপার ট্যালেন্টেড জয় সরকার আর অরিন্দম সাহার সঙ্গে পুজোর অ্যালবামে কাজ করা একটা অ্যাডভেঞ্চারের মতো। যেমন রোম্যান্টিক টিউন তেমন আজকের প্রজন্মের জন্য কথা, আমি জানি এই গানগুলো মানুষের পছন্দ হবে। আকৃতি এ প্রজন্মের অন্যতম গায়িকা। ওর সঙ্গে গান গাইতে খুব ভাল লেগেছে। আমার বিশ্বাস, মহুয়া লাহিড়ীর এই চেষ্টা সফল হবে।’’

গানের ভাবনা, সুর পুরোপুরি কমার্শিয়াল আসপেক্টকে ভেবেই করা হয়েছে বলে জানালেন জয় সরকার।‘‘আসলে আকৃতি আর শান এই প্রজন্মের গায়ক। ওদের গায়কীর কথা মাথায় রেখে গানের কথা সহজ করে লেখা হয়েছে। সুরের ক্ষেত্রে স্ট্রিং ইন্স্ট্রুমেন্ট, গিটারের ব্যবহার করা হয়েছে।আগে যেমন কুমার শানু বা অলকা ইয়াগনিকের ক্ষেত্রে ঢোল ব্যবহার করা হয়েছিল।’’

মোট ছ’টা গানের অ্যালবামে আকৃতি আর শান দু’টো ডুয়েট রেকর্ড করেছে। বাকি চারটে সোলো।

আরও পড়ুন: ‘বলিউডে প্রথম সারির পাঁচ নায়কের মধ্যে আমার নাম আসত’

আকৃতি কক্কর চমৎকার বাংলা বলেন। সেই প্রসঙ্গ তুলতেই জয় বললেন, ‘‘ওর সঙ্গে কাজের সুবাদে আমিও অনেক বাংলা কথা শিখিয়েছি। আর ও বাংলা বুঝতে পারে বলে এই অ্যালবামে কাজ করা অনেক সহজ হয়েছে।’’যোগ করলেন জয়।

আকৃতির কথায়: ‘‘জয়দা আমার বড় ভাইয়ের মতো। আমার এই পুজো অ্যালবাম নিয়ে আমি খুব এক্সাইটেড। অরিন্দমদা এত ভাল লিখেছে। সকলের ভাল লাগবে।’’
পুজোর গান আগের মতো আর শোনা যায় না। রেডিও বা প্যান্ডেলে আজকের পুজোর গান বাজে না। এই সীমাবদ্ধতা জেনেও তৈরি হচ্ছে পুজোর গান। ‘হয়তো প্রেম’সেরকমই এক উজ্জ্বল প্রয়াস।