Advertisement
E-Paper

নতুন লড়াকু শাখা হচ্ছে বায়ুসেনায়, জানালেন প্রধান

প্রথা ভেঙে এ বারই প্রথম রাজধানীর বাইরে বায়ুসেনা দিবস পালন করল বাহিনী। চণ্ডীগড়ের আকাশে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে ৮০টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২২ ০৮:৩৩
বায়ুসেনা বাহিনীর প্রধান ভি আর চৌধুরি।

বায়ুসেনা বাহিনীর প্রধান ভি আর চৌধুরি। ফাইল ছবি

স্বাধীনতার পরে প্রথম বায়ুসেনায় চালু করা হচ্ছে যুদ্ধ প্রস্তুতিতে সহায়ক একটি শাখা। আজ বায়ুসেনা দিবসে চণ্ডীগড় ঘাঁটিতে এ কথা জানিয়েছেন বাহিনীর প্রধান ভি আর চৌধুরি। তিনি জানান, ওই শাখার হাতেই থাকবে বাহিনীর সব ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্য অস্ত্র ব্যবস্থা (ওয়েপন সিস্টেম)। এতে প্রায় ৩,৪০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রথা ভেঙে এ বারই প্রথম রাজধানীর বাইরে বায়ুসেনা দিবস পালন করল বাহিনী। চণ্ডীগড়ের আকাশে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে ৮০টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার। তার মধ্যে ছিল সদ্য বাহিনীর হাতে আসা ভারতে তৈরি হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’। এ দিন উদ্বোধন হয় বায়ুসেনার নয়া উর্দিরও। কুচকাওয়াজে সেই উর্দিই পরতে দেখা গিয়েছে বায়ুসেনাদের। বাহিনী সূত্রের খবর, সীমান্তে উত্তেজনা, যুদ্ধের পরিবর্তিত অবস্থা ও চরম আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে এই উর্দি তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন দুর্গম অঞ্চলে মোতায়েন থাকার সময়ে এই উর্দি ব্যবহার করতে পারবেন বায়ুসেনারা। পরিবেশের সঙ্গে তাঁদের মিশে থাকতে সাহায্য করবে ওই পোশাক।

বক্তৃতায় বায়ুসেনা প্রধান বলেন, ‘‘বায়ুসেনার নতুন শাখার হাতে থাকবে ভূমি থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র, ভূমি থেকে বায়ু ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন। পাশাপাশি যে সব যুদ্ধবিমানে দুই বা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক সেনা থাকেন সেখানে ওয়েপন সিস্টেমের দায়িত্বে থাকবেন এই শাখার অফিসারেরা। এতে প্রায় ৩,৪০০ কোটি টাকা বাঁচানো যাবে। কারণ, বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার খরচ কমবে।’’

বায়ুসেনা প্রধানের মতে, ‘‘ভূমি, সমুদ্র ও আকাশ ছেড়ে এখন যুদ্ধের ক্ষেত্র মহাকাশ ও সাইবার ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হয়েছে। ক্রমশই এই সব ক্ষেত্র মিলে হাইব্রিড যুদ্ধের চেহারা দেখা যাচ্ছে। তাই আগের যুদ্ধাস্ত্রের চেহারা প্রযুক্তির মাধ্যমে বদলানোর প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে আগামিকালের যুদ্ধ গত কালের মানসিকতা নিয়ে লড়া যাবে না।’’

অগ্নিবীর প্রকল্পের মাধ্যমে বায়ুসেনায় নিয়োগের বিষয়টি যে একটি চ্যালেঞ্জ তা মেনে নিয়েছেন বায়ুসেনা প্রধান। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এ জন্য আমাদের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি বদলাতে হয়েছে। তবে অগ্নিবীর প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের শক্তিকে দেশের সেবার কাজেলাগানো সম্ভব। ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ৩ হাজার অগ্নিবীর বায়ুর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শুরু হবে। আগামী বছর থেকে মহিলাদেরও অগ্নিবীর প্রকল্পের অধীনে নিয়োগ করা হবে।’’

indian air force day
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy