সরকারি ভাবে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে ইরাকের জয় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী হায়দর আল-আবাদি। রবিবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মসুলে ঢুকেছেন। অনেক বছর পর ইরাকের কোনও প্রধানমন্ত্রী মসুলে ঢুকতে পারলেন। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, মসুলে পা রেখেই আইএস-এর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় ঘোষণা করেছেন হায়দর আল-আবাদি। তিনি সেনাবাহিনী ও ইরাকের জনগণকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন।

‘‘সশস্ত্র বাহিনীর কম্যান্ডার-ইন-চিফ হায়দর আল-আবাদি মুক্ত শহর মসুলে পৌঁছেছেন এবং এই মহান জয়ের জন্য বীর যোদ্ধাদের এবং দেশের নাগরিকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।’’ ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে এ কথাই লেখা হয়েছে।

দীর্ঘ যুদ্ধে ধ্বংসস্তূপ মসুল। ইরাকে আইএস-এর এই শেষ দুর্গের পতন ঘটেছে, মসুল ইরাকের সরকারের হাতে এসেছে। কিন্তু শহর বলতে আর প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই। ছবি: এএফপি।

ঐতিহাসিক শহর মসুলকে আইএস-এর হাত থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য আট মাসেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছিল। মসুলের মূল প্রশাসনিক এলাকা থেকে অনেক আগেই পিছু হঠেছিল আইএস। অপেক্ষাকৃত ঘিঞ্জি পুরনো মসুল দখলে রেখে যুদ্ধ চালাচ্ছিল তারা। জুনের শেষ দিকেই জঙ্গি সংগঠনটি বুঝে যায়, মসুলের ওই অংশ ছেড়েও খুব তাড়াতাড়িই পালাতে হবে তাদের। অবশেষে ঐতিহাসিক আল নুরি মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে সরে যায় বাগদাদির বাহিনী। পুরনো মসুলের বাকি অংশও চলে আসে মার্কিন সাহায্যপুষ্ট ইরাকি সেনার হাতে।

আরও পড়ুন: চিনকে আরও কড়া বার্তা, ডোকলামে তাঁবু ফেলতে শুরু করল ভারতীয় সেনা

উত্তর ইরাকের মসুল শহরই ছিল সে দেশে আইএস-এর শেষ দুর্গ। গোটা এলাকায় ইরাকি বাহিনীর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আজ, রবিবার সেখানে যান। মসুল থেকেই তিনি সরকারি ভাবে বাগদাদির সংগঠনের বিরুদ্ধে ইরাকের জয় ঘোষণা করেন।