নিজের আসল নাম আজ আর মনে পড়ে না তাঁর। নবজন্মে তাঁর নাম এখন শারাভাং গিরি। ১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন থেকে শুধুই একজন পর্যটক হিসেবে ভারতে ঘুরতে এসেছিলেন তিনি। তখনই বিশ্বের বৃহত্তম উৎসব কুম্ভমেলার অভিজ্ঞতা হয় তাঁর। এই মেলা এতটাই আবিষ্ট করে ফেলে তাঁকে, যে একদা নাস্তিক সেই অস্ট্রেলীয় গ্রহণ করেন হিন্দু ধর্ম। শুধু তাই নয়, হয়ে যান সন্ন্যাসীও!

১৯৯৮ সালে ভারতে আসার আগে তিনি রীতিমতো নাস্তিক ছিলেন বলে জানিয়েছেন শারাভাং। বিশ্বাস করতেন না কোন ধর্মেও। কিন্তু ভারতে আসার পর গুজরাতের গিরনার হিলে গুরু দত্তাত্রেয়র সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। ওনার সান্নিধ্যে এসেই হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করার জন্য উদ্বুদ্ধ হন তিনি বলে জানিয়েছেন শারাভাং। তার পরই হিন্দুধর্ম এবং সন্ন্যাস গ্রহণ তাঁর।

সেই থেকে প্রত্যেক বছরই কুম্ভমেলায় যাতায়াত লেগেই আছে শারাভাং-এর। এই নিয়ে দশম বার কুম্ভমেলায় এসেছেন তিনি। কুম্ভ যাত্রীদের মধ্যে বেশ পরিচিত মুখও তিনি। তা বোঝা যায় তাঁর জনপ্রিয়তা দেখেই। লোকমুখে তাঁর নাম এখন ‘অস্ট্রেলিয়ান বাবা’। শুধু তাই নয়, উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত এই কুম্ভমেলায় বৃহত্তম আখড়ার সদস্যও বটে তিনি। ‘জুনা আখড়া’ বলে যে আখড়ার সদস্য শারাভাং, তা মূলত নাগা সন্ন্যাসীদের আখড়া বলেই পরিচিত।

আরও পড়ুন: মোদীর ‘ভোট-কুম্ভে’ ডুব দিতে চান রাহুলও

আরও পড়ুন: রাতের কুম্ভের আঁধার ঘোচান মেহমুদ