• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

নেতাদের ছাড়াই ধর্মঘটে বিএমএস

শেষ বেলায় মাথা সরে গেলেও ধড় কিন্তু রয়ে গেল সরকার-বিরোধী ধর্মঘটেই।

শ্রমিক সংগঠনগুলির ধর্মঘট থেকে শেষ মুহূর্তে দূরত্ব বাড়ায় সঙ্ঘ-পরিবারের শ্রমিক সংগঠন বিএমএস। কিন্তু আজ অনেক রাজ্যেই বিএমএস-এর কর্মী-সদস্যরা ধর্মঘটে অংশ নিলেন। দিল্লিতে যেমন অটো-ট্যাক্সি চালকরা বিএমএস-এর সমর্থক হয়েও ধর্মঘটে অংশ নিয়েছেন, তেমনই
রাজস্থান বা মধ্যপ্রদেশের মতো বিজেপি শাসিত রাজ্যে সরকারি পরিবহণ সংস্থার বিএমএস-এর অনুমোদিত ইউনিয়নের কর্মীরা ধর্মঘট করেছেন।

বিএমএস যুক্তি দিয়েছিল— ন্যূনতম বেতন, বোনাসের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষার মতো কিছু দাবি মানার আশ্বাস দিয়েছে মোদী সরকার। তা হলে বিএমএস-এর অনুমোদিত শাখাগুলি ধর্মঘট করলো কেন? সংগঠনের অন্যতম সম্পাদক জয়ন্তী লালের দাবি, ‘‘ওঁরা স্থানীয় কারণ নিয়ে ধর্মঘটে অংশ নিয়েছেন। এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলির দাবিদাওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই।’’

উদাহরণ হিসেবে বিএমএস-এর সম্পাদকের ব্যাখ্যা— দিল্লিতে কেজরীবাল সরকার যে গণ পরিবহণ নীতি নিয়েছে, তাতে অটো ও ট্যাক্সির ব্যবসা মার খাবে। রাজস্থানেও সরকারি নীতির বিরুদ্ধে পরিবহণ কর্মীদের ক্ষোভ ছিল। তাই তাঁরা ধর্মঘটে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এই যুক্তি দিয়ে বিএমএস পরোক্ষে মেনেছে, রাজস্থানে সঙ্ঘ-পরিবারের শ্রমিক সংগঠনই রাজ্যের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ। তার জন্য ধর্মঘটেও যেতেও পিছপা নন।

বাম-কংগ্রেস শ্রমিক সংগঠনের নেতারা একে নিজেদের জয় হিসেবেই দেখছেন। তাঁদের যুক্তি, রাজস্থানে শ্রম আইনে যে সব সংস্কারের নীতি নেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রে মোদী সরকার তা-ই রূপায়ণ করার চেষ্টা করছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন