লখনউ থেকে দিল্লি যেতে নির্ধারিত সময়সীমার থেকে ৩ ঘণ্টা দেরি হয়েছিল তেজস এক্সপ্রেসের। সে জন্য ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে ভারতীয় রেলকে। রেলের ইতিহাসে এমনটা প্রথম বার। ক্ষতিপূরণের এই কথা সোমবারই ঘোষণা করেছে রেল।

গত ১৯ অক্টোবর সকাল ৯টা ৫৫-য় দিল্লিগামী তেজস এক্সপ্রেস লখনউ স্টেশন থেকে ছাড়ে। ট্রেনটি ছাড়ার নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ৬টা ১০। দিল্লি পৌঁছনোর কথা ছিল বেলা ১২টা২৫-এ। কিন্তু, ওই দিন তেজস এক্সপ্রেস দিল্লি পৌঁছয় বেলা ৩টে ৪০ মিনিটে। ফিরতি পথে দিল্লি থেকে বিকেল ৩টে ৩৫-এর পরিবর্তে তেজস এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায়। ট্রেনটি রাত ১০টা ৫-এর পরিবর্তে রাত সাড়ে ১১টায় লখনউ পৌঁছয়।

লখনউ থেকে দিল্লিতে যাওয়ার সময় ৪৫০ জন যাত্রী ছিলেন ওই ট্রেনে। তাঁদের প্রত্যেককে ২৫০ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। দিল্লি থেকে লখনউ ফেরার পথে ওই ট্রেনে ছিলেন ৫০০ জন যাত্রী। তাঁদের প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে রেল। দেরির কারণ হিসেবে রেল জানিয়েছে, ওই দিন কানপুরে একটি ট্রেন লাইনচ্যূত হয়ে গিয়েছিল। তাই সমস্ত ট্রেন চলাচলেই দেরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জের, খুন বীরভূমের সিপিএম নেতা!

ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কেটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (আইআরসিটিসি)-এর নিয়ম অনুযায়ী, তেজস এক্সপ্রেস এক ঘণ্টার বেশি দেরি করলে ১০০ টাকা এবং দু’ঘণ্টার বেশি দেরি করলে ২৫০ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে যাত্রীদের। ট্রেন থেকে কোনও যাত্রীর জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেলে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তেজস এক্সপ্রেসের টিকিটে একটি বিমা কোম্পানির লিঙ্কের উল্লেখ রয়েছে। সেখানে যাত্রীদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানাতে হবে বলে রেল জানিয়েছে।