শুক্রবার মধ্যরাতে বিধানসভার মেয়াদ শেষের ক’ঘণ্টা আগে ইস্তফা দিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস। কিন্তু নতুন সরকার কে গড়বে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত তা অজানা। রাজ্যপাল ভগত সিংহ কোশিয়ারি এ বার কী পদক্ষেপ নেন, তার উপরেই নির্ভর করছে পরবর্তী রাজনৈতিক গতিবিধি।

ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন, মহারাষ্ট্রে দেবেন্দ্র ফডণবীসই মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তা মিথ্যা প্রমাণ করতে সংবিধান নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনেও আক্রমণ চালিয়ে গেল শরিক শিবসেনা। উদ্ধব ঠাকরে বলেন, ‘‘ফডণবীস তো বটেই, অমিত শাহও মিথ্যা কথা বলছেন। আড়াই বছর করে মুখ্যমন্ত্রিত্বের শর্ত মেনে নিয়েছিলেন তিনি।’’ ফডণবীসও এ দিন পাল্টা বলেন, ‘‘শিবসেনা সরকার গড়তে চাইলে গড়ুক, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রিত্ব ভাগাভাগির কথা হয়নি।’’

শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত এ দিন বলেন, ‘‘রাজ্যপাল বিজেপি-কেই সরকার গড়তে ডাকুন। তাদের ১৫ দিন কেন, এক মাস সময় দেওয়া হোক সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে। তারা ব্যর্থ হলে শিবসেনা বা অন্য কাউকে সরকার গড়তে ডাকা হোক।’’ অনেকে মনে করছেন, এই মুহূর্তে সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার বন্দোবস্ত করে উঠতে পারেনি বলেই বিজেপির কোর্টে বল ঠেলছেন রাউত। বিজেপি নেতা দেবেন্দ্রও যে শিবসেনাকে সরকার গড়ার কথা বলেছেন, তারও উদ্দেশ্য আপাতত রিসর্ট-বন্দি শিবসেনার বিধায়কদের বেরোতে দেওয়া। তার পর দল ভাঙাতে নামবেন তাঁরা। কংগ্রেসের অভিযোগ, তাদের বিধায়কদেরও মোটা টাকার টোপ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ’৯২ যেন না-ফেরে, আতঙ্কে আছে অযোধ্যা

রাজ্যপাল এখন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলে ফের ভোটের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। আবার ফডণবীসকে অন্তর্বর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালাতে বলে সরকার গড়ার সূত্রের খোঁজও করতে পারেন তিনি।